গবেষণা প্রকল্পে যবিপ্রবির ২৮ শিক্ষক পাচ্ছেন সাড়ে ৪৪ লাখ টাকা

২৪ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৩:৫৫ PM , আপডেট: ১২ আগস্ট ২০২৫, ১২:৩৭ PM
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় © টিডিসি ফটো

গবেষণা প্রকল্পে সাড়ে ৪৪ লাখ টাকা অনুদান পাচ্ছেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ২৮ জন শিক্ষক। জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে গবেষণা প্রকল্পে এ অনুদান পেতে যাচ্ছেন তাঁরা। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব বিদ্যুৎ চন্দ্র আইচ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে গবেষণা প্রকল্পের অনুদানের বিষয়টি জানানো হয়।

জানা যায়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে 'বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কর্মসূচির আওতায় ৬৯৬টি বিশেষ গবেষণা প্রকল্প অনুদান দিয়েছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। তন্মধ্যে ১৪ টি গবেষণা প্রকল্পের আওতায় যবিপ্রবির প্রধান গবেষক হিসেবে ১৪ জন শিক্ষক ও তাঁদের আওতাধীন প্রকল্পের সহকারী হিসেবে ১৪ জন শিক্ষক স্থান পেয়েছেন।

যবিপ্রবি থেকে নির্বাচিত গবেষকরা হলেন, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড বায়োটেকনোলজি (জিইবিটি) বিভাগের অধ্যাপক মো. জিয়াউল আমিন, সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মশিয়ার রহমান ও এ এম সরাজ,ও প্রভাষক তাসমিয়া ইসলাম, পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি (এনএফটি) বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শিরীন নিগার, সহযোগী অধ্যাপক ড. আশরাফুজ্জামান জাহিদ, মো. ওমর ফারুক, মো. সাইদুজ্জামান সহকারী অধ্যাপক ফাতেমা-তুজ-জোহরা, শুভাশীষ দাস শুভ ড. মো. শিমুল ইসলাম, রসায়ন বিভাগের ড. মো: কোরবান আলী, এগ্রো প্রোডাক্ট এন্ড প্রসেসিং টেকনোলজি (এপিপিটি) বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস ও প্রভাষক মাহফুজুল আলম, ফার্মেসী বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. জসিম উদ্দিন, মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. তানভির ইসলাম ও প্রভাষক মো. শামীনুর রহমান, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. বিপ্লব কুমার বিশ্বাস ও সহকারী অধ্যাপক ড. রাজেশ কুমার চন্দ্র, পেট্রোলিয়াম এন্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং (পিএমই) বিভাগের অধ্যাপক ড. এইচ এম জাকির হোসাইন, অধ্যাপক মো: মোকলেসুর রহমান, সহকারী অধ্যাপক ফারজানা ইয়াসমিন নিপা ও প্রভাষক অলিউর রহমান, ফিশারিজ এন্ড মেরিন বায়োসায়েন্স (এফএমবি) বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আমিনুর রহমান ও সহকারী অধ্যাপক ড. মো. আলাউদ্দিন, গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো: জহুরুল ইসলাম ও সহকারী অধ্যাপক মো: সাইফুল ইসলাম।

সাধারণত তিনটি ক্ষেত্রে শিক্ষার্থী ও গবেষকদের এই ফেলোশিপ প্রদান করা হয়। প্রতিবছর বায়োলজিক্যাল সায়েন্স, মেডিক্যাল সায়েন্স, এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অ্যাপ্লাইড সায়েন্স, ফিজিক্যাল সায়েন্স ও ইন্টার-ডিসিপ্লিনারি গ্রুপসহ মোট ৬টি গ্রুপে এই গবেষণা অনুদান দেওয়া হয়ে থাকে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় কর্তৃক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে গবেষণা ও উন্নয়ন কাজে উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা প্রদানের লক্ষ্যে গবেষণা প্রকল্পে অনুদান প্রদান করা হয়। ১৯৯৭-১৯৯৮ অর্থবছর থেকে বিজ্ঞান বিষয়ক গবেষণার জন্য বিশেষ গবেষণা অনুদান কার্যক্রম শুরু করা হয়।

ইবিতে পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে চালু হচ্ছে কোডিং পদ্ধতি
  • ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাবির সাবেক হল জিএসকে হাসপাতালে ফেলে যান দুই ব্যক্তি, রাতে …
  • ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জাবি বন্ধ থাকবে ২৩ সেপ্টেম্বর, ক্যালেন্ডারে ছুটি থাকলেও পরদ…
  • ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অনিয়মের অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি অব্যাহতিপ্রাপ্ত অধ্যাপক মনিরু…
  • ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে যাওয়ার কথা বলে বের হয়ে দুই ছাত্রী নিখোঁজ, পরিবারের উ…
  • ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভিক্ষাবৃত্তির জন্য সেই শিশুর ‘পা কাটা ও কিডনি চুরির’ প্রমাণ…
  • ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬