নন-এমপিও শিক্ষকদের জন্য বরাদ্দ ১১০ কোটি টাকা

১৯ জুন ২০২০, ০৮:৪৯ AM

© ফাইল ফটো

মহামারি করোনা পরিস্থিতিতে চরম আর্থিক সঙ্কটে পড়া সব নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীকে এককালীন আর্থিক প্রণোদনা দিতে ১১০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিতে সম্মত হয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। সাম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এই বরাদ্দ চাইলে তা দিতে রাজি হয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। কিন্তু এখনও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে অনুমোদন ও শিক্ষকদের তালিকা চূড়ান্ত হয়নি।

তথ্যমতে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং মাদ্রাসা ও কারিগরি বিভাগের মাধ্যমে শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা মাঠ প্রশাসনের মাধ্যমে তালিকাভুক্তের যাচাই-বাছাই করছে। যদিও এখন অবধি জানা যায়নি ঠিক কতজন শিক্ষক-কর্মচারী আর্থিক সুবিধার আওতায় আসছেন, তবুও এ সংখ্যাটা এক লাখের অনেক বেশি হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এদিকে এখনও এই প্রক্রিয়া চূড়ান্ত না হওয়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে এখনই কোনো ঘোষণা দিতে চায় না শিক্ষা মন্ত্রণালয়। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা তাদের উদ্যোগের বিষয়টি নিশ্চিত করলেও বলেছেন, ‘আমরা কাজ গুছিয়ে রাখছি। শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রণোদনা দিতে আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছি। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে দেশের সব জেলা প্রশাসকের কাছে নন-এমপিও শিক্ষকদের তালিকাও চাওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি হলেই বিষয়টি নিশ্চিত করে বলা যাবে। অনেক টাকার বিষয়। তাই সরকারকেও অনেক কিছু চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে’।

শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানায়, সরকারের যথাযথ অনুমোদন পাওয়া সকল বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যারা এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী নন তারা পাবেন এ সুবিধা। যার পরিমাণ তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকা হতে পারে। সব মিলিয়ে এক শ’ ১০ কোটি টাকারও বেশি প্রয়োজন হবে।

ব্যানবেইসের তথ্য অনুসারে শিক্ষক-কর্মচারী ছিলেন এক লাখ ৮৫ হাজারেরও বেশি। যাচাই-বাছাই করলে সংখ্যা আরও কমবে বলে মনে করছেন কর্মকর্তারা। কারণ হিসেবে তারা বলছেন, বহু প্রতিষ্ঠান কোন মতে স্বীকৃতি নিয়ে চললেও আর্থিক ও শিক্ষার্থী সঙ্কটে বন্ধ হয়ে যেতে পারে। দুর্বল প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরাও অন্যত্র চলে যান। ফলে স্বীকৃতির সময় যে জনবল যেখানে হয় পরবর্তীতে তারা অনেকেই থাকেন না।

অধিকাংশ আবেদনকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই এমপিওভুক্ত করা যায়নি তাই সেখানকার শিক্ষক-কর্মচারীরা এই করোনার মধ্যে পড়েছেন মহাসঙ্কটে। প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকেও তারা কোন টাকা পাচ্ছেন না। এসব সমস্যার কথা চিন্তা করেই শিক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। কর্মকর্তারা বলছেন, যে টাকা দেয়া হবে তার পরিমাণ হয়ত বেশি হবে না। তবে কিছুটা পাশে দাঁড়ানোর চিন্তা থেকেই এ উদ্যোগ।

মন্ত্রণালয় ও অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে দেশে একাডেমিক স্বীকৃতি পাওয়া নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে পাঁচ হাজার ২৪২টি। এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা ৮০ হাজার। এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীদেরও প্রণোদনার আওতায় আনার চিন্তা রয়েছে।

এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে নতুন এমপিও পেয়েছে দুই হাজার ৭৩৭টি। এছাড়া একাডেমিক স্বীকৃতির বাইরে রয়েছে আর দুই হাজারেরও বেশি নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

ঢাকা মেডিকেলের ভবন থেকে লাফ দিয়ে তরুণীর ‘আত্মহত্যা’
  • ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
বিএনপি প্রার্থীর গাড়ির সামনে দাঁড়িপাল্লার মিছিল, জামায়াত নে…
  • ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
দ্বিগুণ বেতনের নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে যত চ্যালেঞ্জ
  • ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
বেরোবি ভিসির বিরুদ্ধে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ শিক্ষার্থীদের
  • ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
বিএনপির দলীয় ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, কার্যা…
  • ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে পর্দা উঠল আন্তঃবিভাগ ক্রীড়া প্রতিযোগিতার
  • ২৫ জানুয়ারি ২০২৬