কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ © ফাইল ফটো
বেসরকারি মাদ্রাসায় কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন-ভাতা দিতে খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে। কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে এখনো কোনো হিসাব বিবরণী পাওয়া যায়নি। হিসাব পাওয়ার পর অর্থ বিভাগে অতিরিক্ত টাকা বরাদ্দ চেয়ে চিঠি পাঠানো হবে।
রবিবার (৮ নভেম্বর) দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের সাথে আলাপকালে এসব কথা জানান শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের যুগ্মসচিব সৈয়দ মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন।
তিনি বলেন, ‘অর্থ মন্ত্রণালয়ে অতিরিক্ত বরাদ্দ চেয়ে চিঠি পাঠানোর পূর্বে আমাদের কত টাকা দরকার, সেই হিসাব অধিদপ্তরগুলো থেকে পাঠাতে হবে। বিষয়টি নিয়ে খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে। অধিদপ্তর জানানোর পরপরই অর্থ বরাদ্দ চেয়ে চিঠি পাঠানো হবে।’
এদিকে বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নবম পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন-ভাতা দিতে অর্থ বিভাগের কাছে ৩ হাজার ২৬৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা চেয়ে চিঠি দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ। চিঠিতে ছয় মাসের বকেয়াসহ ১২ মাসের জন্য এ অর্থ চাওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
সম্প্রতি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে ছয় মাসের বকেয়াসহ ১২ মাসের হিসাব বিবরণী মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে টাকা বরাদ্দ চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি পাঠানো হয়।
মাউশির হিসাব বিবরণী থেকে জানা গেছে, চলতি বছরের জুন থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত ৭ মাসের বকেয়া বেতন-ভাতা এবং আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত বেতন-ভাতার হিসাব দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে স্কুল-কলেজের জন্য বরাদ্দ পাওয়া অর্থ থেকে জুন মাসের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হয়েছে। অবশিষ্ট ঘাটতির জন্য আলাদা করে বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।
বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহে অতিরিক্ত ২ হাজার ৫৩১ কোটি ৫৩ লাখ ২৪ হাজার ৮৫৫ টাকা এবং বেসরকারি কলেজসমূহে অতিরিক্ত ৭৩৬ কোটি ৩৫ লাখ ৬৬ হাজার ৪০১ টাকাসহ সর্বমোট ৩ হাজার ২৬৭ কোটি ৮৮ হাজার ৯১ হাজার ২৫৬ টাকা অতিরিক্ত প্রয়োজন হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
মাউশির পাঠানো হিসাব বিবরণী থেকে জানা গেছে, ৬ মাসের বকেয়াসহ আগামী বছরের মে মাস পর্যন্ত বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহের বেতনে ২ হাজার ২৫৫ কোটি ৯৩ লাখ ১২ হাজার ৮১৯ টাকা এবং ভাতায় ২৭৫ কোটি ৬০ লাখ ১২ হাজার ৩৬ টাকাসহ মোট ২ হাজার ৫৩১ কোটি ৫৩ লাখ ২৪ হাজার ৮৫৫ টাকা দরকার হবে।
অন্যদিকে কলেজের ক্ষেত্রে বেতনে ৬৬৫ কোটি ২৩ লাখ ২৭ হাজার ৫১১ টাকা এবং ভাতায় ৭১ কোটি ১২ লাখ ৩৮ হাজার ৮৯০ টাকাসহ মোট ৭৩৬ কোটি ৩৫ লাখ ৬৬ হাজার ৪০১ টাকা অতিরিক্ত প্রয়োজন হতে পারে।
অর্থাৎ বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহে অতিরিক্ত ২ হাজার ৫৩১ কোটি ৫৩ লাখ ২৪ হাজার ৮৫৫ টাকা এবং বেসরকারি কলেজসমূহে অতিরিক্ত ৭৩৬ কোটি ৩৫ লাখ ৬৬ হাজার ৪০১ টাকাসহ সর্বমোট ৩ হাজার ২৬৭ কোটি ৮৮ লাখ ৯১ হাজার ২৫৬ টাকা অতিরিক্ত প্রয়োজন হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।