জুলাইয়ে সমাধান— বেতন না পাওয়া মাদ্রাসা শিক্ষকদের নিয়ে বললেন শিক্ষামন্ত্রী

২২ জুন ২০২৬, ০৩:২৫ PM , আপডেট: ২২ জুন ২০২৬, ০৩:২৬ PM
ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন

ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন © সংগৃহীত

ফের মাদ্রাসা শিক্ষকদের বেতন নিয়ে কথা বললেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। মন্ত্রীর ভাষায়, আশা করা হচ্ছে- আগামী জুলাই মাসে বকেয়া বেতন পরিশোধের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে। সোমবার (২২ জুন) নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং ডিনস ও ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, আমাদের মাদ্রাসার শিক্ষকরা মে ও জুন মাসের বেতন এখনো পাননি। দীর্ঘদিন আগে ২০১৭ সালে ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (EFT) নামে একটি প্রকল্প নেওয়া হলেও তা আজও সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়িত হয়নি। শুরুতে প্রায় ১০ কোটি টাকার এই প্রকল্প বর্তমানে প্রায় ৮০ কোটি টাকায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে, তবুও প্রকল্পটি কার্যকরভাবে শেষ হয়নি; বরং সময়ের সঙ্গে এর মেয়াদ ও ব্যয়ই শুধু বৃদ্ধি পেয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পদ্ধতিগত দুর্বলতার কারণে, বিশেষ করে বিগত সময়ে নিয়োগ পাওয়া প্রায় ১৭,০০০ মাদ্রাসা শিক্ষকের বেতন প্রদানে জটিলতা তৈরি হয়েছে। যেহেতু স্বয়ংক্রিয় ফান্ড ট্রান্সফার (AFT/EFT) ব্যবস্থাটি পুরোপুরি চালু ছিল না, তাই মাসিক বেতন বরাদ্দ পরিকল্পনায় যথাযথ হিসাব রাখা সম্ভব হয়নি। অর্থ্যাৎ তাদের এই ধারণাটা ছিল না যে কি পরিমাণ টাকা মাদ্রাসার শিক্ষকদের বেতনের জন্য বরাদ্দ করতে হবে। 

ড. মিলন বলেন, আমাদের কাছে প্রায় ১০০ কোটি টাকার মতো বরাদ্দ ছিল। ওই ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কেউ অর্ধেকের মতো, কেউ অর্ধেক নয়—প্রায় চার ভাগের এক ভাগের মতো পাবে, আর বাকিরা পাচ্ছে না। সেটা আমরা জুলাই মাসে এসে সকলের বেতন পরিশোধ করব। কিন্তু একবার ভেবে দেখুন, একজন মাদ্রাসার শিক্ষক নিয়মিত বেতন পান। তার একটি মাসের বেতন না এলে তিনি কত ভোগান্তিতে পড়েন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এই ব্যবস্থাটি বিগত সরকারগুলোর সময়ও যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হয়নি। EFT বা স্বয়ংক্রিয় ফান্ড ট্রান্সফার ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে কার্যকর করা হয়নি এবং বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্দও যথাযথভাবে পরিকল্পিত হয়নি বলে প্রতীয়মান হয়। ফলে বর্তমান বাজেট ব্যবস্থাপনায়ও এ ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। তবে বর্তমান সরকারের কার্যক্রম ও বাজেট ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি নিয়ে ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সরকারের নেতৃত্বে উন্নততর শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রচেষ্টা দৃশ্যমান।

এক্সিকিউটিভ নিয়োগ দেবে স্কয়ার গ্রুপ, আবেদন ৮ আগস্ট পর্যন্ত
  • ০১ আগস্ট ২০২৬
তৃতীয় ভাষাকে প্রাধান্য দেওয়া বাংলাদেশ সরকারের একটা বড় লক্…
  • ০১ আগস্ট ২০২৬
উচ্চশিক্ষায় কি দলীয়করণমুক্ত করতে পেরেছি—প্রশ্ন ড. মাহমুদুর …
  • ০১ আগস্ট ২০২৬
জুলাই শহীদদের স্মরণে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিত…
  • ০১ আগস্ট ২০২৬
স্পেনের সঙ্গে বর্ডার ফ্রি শেনজেন চুক্তি স্থগিত করল ইতালি
  • ০১ আগস্ট ২০২৬
চীনের এআই সহযোগিতা সংস্থায় পর্যবেক্ষক হিসেবে যুক্ত হচ্ছে বা…
  • ০১ আগস্ট ২০২৬