শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন © সংগৃহীত
১৯৯৬ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটিতে কখনও সরাসরি শিক্ষাগত যোগ্যতার কথা বলা হয়নি বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর মিন্টো রোডে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৯ সালের অভিজ্ঞতা পর্যালোচনা করেছি। কোথাও সরাসরি শিক্ষাগত যোগ্যতার কথা বলা হয়নি, তবে বাস্তবে যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিদেরই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কারণ জনসেবা করতে আসা মানুষদের অযথা অপমান করা উচিত নয়।
তিনি বলেন, কেউ কেউ বলেছেন- কঠোর মানদণ্ড থাকা উচিত। আবার বাস্তবতার কথাও এসেছে—অনেক সমাজসেবক আছেন, যাদের আনুষ্ঠানিক ডিগ্রি নেই, কিন্তু সমাজে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। এসব বিষয় নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি। তবে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। আমি সংসদ সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করব এবং পরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেব।
তিনি আরও বলেন, এদিকে কিছু সংবাদমাধ্যমে এমনভাবে খবর প্রকাশ করা হয়েছে যেন সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যেই হয়ে গেছে। এতে মনে হয়েছে যেন উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাকে বিব্রত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেত্রে আমি কোনো দলীয় বিভাজন আনতে চাই না। বিএনপি, আওয়ামী লীগ, জামায়াত—কাউকে বাদ দেওয়ার নীতি আমার নয়। সবাইকে সমানভাবে বিবেচনা করতে হবে। যারা গত ১৫–১৭ বছর নানা কারণে সুযোগ পাননি, তাদেরও এবার সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি আমি বিবেচনা করছি।