শিক্ষকদের বদলি আবেদন শুরুর পরিকল্পনা জানালেন মাউশি ডিজি

০৪ জুন ২০২৬, ০৭:১৬ PM , আপডেট: ০৪ জুন ২০২৬, ০৭:১৬ PM
প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল

প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল © ফাইল ছবি

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক (ডিজি) প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বলেছেন, ‘শিক্ষকদের বদলির জন্য মাঠ পর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। জুন মাসের মধ্যেই এ প্রক্রিয়া শেষ করা হবে। এরপর বদলি আবেদনগ্রহণ করা হবে।’

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের সাথে একান্ত আলাপচারিতায় এসব কথা বলেন তিনি।

মাউশি ডিজি বলেন, ‘আমাদের পরিকল্পনা হলো- জুলাইয়ের শুরুর দিকেই শিক্ষকদের কাছ থেকে আবেদনগ্রহণ করার। এজন্য মাঠ পর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কোনো প্রতিষ্ঠান প্রধান যেন ভুল তথ্য না দেয়, সেজন্যও বলা হয়েছে। সব কাজ জুনের মধ্যে গুছিয়ে নিয়ে বদলি আবেদনের প্রস্তুতি গ্রহণ করে রাখা হচ্ছে।’

প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল আরও বলেন, ‘বদলি আবেদনগ্রহণ শুরুর জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমতি লাগবে। আমরা আমাদের সকল কাজ শেষ করে রাখবো। এরপর মন্ত্রণালয় যেদিন থেকে বলবে সেদিন থেকেই বদলি আবেদনগ্রহণের কার্যক্রম শুরু হবে। জুলাইয়ের মাঝামাঝি এ কার্যক্রম শুরুর পরিকল্পনা করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।’

এর আগে গত ১৮ মে শিক্ষকদের সংশোধিত বদলি নীতিমালা অনুযায়ী সফটওয়্যার আপডেট করে সেটি মাউশিকে অবহিত করা হয়। গত ১০ মে সংশোধিত বদলি নীতিমালা অনুযায়ী সফটওয়্যার আপডেট করতে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডকে চিঠি পাঠায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর।

গত ৬ মে স্কুল-কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির সংশোধিত নীতিমালা জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সংশোধিত নীতিমালায় বলা হয়েছে, বদলি হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের পর ন্যূনতম দুই বছর কর্মে নিয়োজিত থাকার পর পরবর্তী বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠানভিত্তিক শূণ্যপদের চাহিদা বা বিবরণ সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে প্রকাশ করবে।

প্রকাশিত শূন্য পদের বিপরীতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর শিক্ষকদের আবেদন আহবান করবে। সমস্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠান প্রধান, সহকারী প্রধান বা একই বিষয়ের শিক্ষক সমপদ শূন্য থাকা সাপেক্ষে প্রতি বৎসর সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন গ্রহণ, বদলির আদেশ জারি ও নতুন কর্মস্থলে যোগদান কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।

আবেদনকারী শিক্ষক তার চাকরির আবেদনে উল্লেখকৃত নিজ জেলায় বদলির জন্য আবেদন করবেন। নিজ জেলায় পদ শূন্য না থাকলে নিজ বিভাগের যে কোন জেলায় বিদ্যমান শূন্য পদের বিপরীতে বদলির আবেদন করতে পারবে। 

এছাড়াও আবেদনকারী শিক্ষক স্বামী বা স্ত্রীর নিজ জেলা অথবা স্বামী/স্ত্রীর কর্মস্থল জেলায় (সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত/এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান) বদলির আবেদন করতে পারবে। প্রথম যোগদানের পর চাকরি দুই বছর পূর্ণ হলে বদলির আবেদন করার জন্য যোগ্য হবেন।

এর আগে নীতিমালাটি অনুমোদন দেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক। মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জারির পাশাপাশি নীতিমালাটি ওয়েবসাইটে আপলোডের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে এবং দ্রুতই তা সবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে।

অবশেষে আম্পায়ার সৈকতের পদত্যাগপত্র গ্রহণ বিসিবির
  • ০৩ আগস্ট ২০২৬
প্রতিমন্ত্রী নুরের ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপ হ্যাকের চেষ্টা
  • ০৩ আগস্ট ২০২৬
৩০ মিনিটে ২৫৮ বার কল দিয়েও চিকিৎসকের সিরিয়াল পেলেন না রোগী,…
  • ০৩ আগস্ট ২০২৬
দায়িত্ব পালন করেও ‘সম্মানি’ মেলেনি ইবির বিএনসিসি-রোভার সদস্…
  • ০৩ আগস্ট ২০২৬
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে ‘অবাঞ্ছিত’ করে ছাত্রদল নেতার পোস্টা…
  • ০৩ আগস্ট ২০২৬
মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার উন্নতি, দেশে ফেরা নিয়ে যা ব…
  • ০৩ আগস্ট ২০২৬