রাজশাহী অঞ্চল
বিদায়ী উপপরিচালক আলমগীর কবির © টিডিসি ফটো
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) রাজশাহী অঞ্চলের সদ্য বিদায়ী উপপরিচালক আলমগীর কবিরের বিরুদ্ধে দুটি সরকারি ল্যাপটপ নিয়মবহির্ভূতভাবে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে মাউশির রাজশাহী অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর মোহাম্মদ আছাদুজ্জামান দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে জানান, আলমগীর কবিরের বদলির আদেশ ১৪ মে তারিখে জারি হয় এবং তিনি ২৫ মে দপ্তর ত্যাগ করেন। তবে তিনি চলে যাওয়ার সময় তার দায়িত্বে থাকা কোনো কিছু বুঝিয়ে দেননি। তাছাড়া, তিনি নিয়মবহির্ভূতভাবে অফিসের দুইটি ল্যাপটপ নিয়ে গেছেন, যা সরকারি বিধি লঙ্ঘনের শামিল।
ল্যাপটপ অবৈধভাবে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগের পর আলমগীর কবিরের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
জানা যায়, এর আগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মাউশির রাজশাহী আঞ্চলিক কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে আলমগীর কবিরের কাছ থেকে ১৫১টি আটকে রাখা ফাইল উদ্ধার করা হয়। এসব ফাইল নির্ধারিত সময়ে প্রেরণ না করায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজ বাধাগ্রস্ত হচ্ছিল। অভিযোগ রয়েছে, আলমগীর কবির ঘুষ না পেলে ফাইল অনুমোদন করতেন না।
১০ মার্চ দুদকের হটলাইনে অভিযোগ পাওয়া যায় যে, আলমগীর কবির এমপিওভুক্তি, বদলি ও বকেয়া বিলের ফাইল অনুমোদনের জন্য লাখ টাকা ঘুষ নিতেন। এ অভিযোগের ভিত্তিতে দুদকের একটি দল অফিসে তল্লাশি চালিয়ে আটকে রাখা ফাইলগুলো উদ্ধার করে।
উল্লেখ্য, দুর্নীতির অভিযোগে বদলির মাত্র ৫ মাস ৭ দিন পর গত (১৮ নভেম্বর, ২০২৪) তারিখে আলমগীর কবিরকে আবার মাউশির রাজশাহী আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপপরিচালক হিসেবে পদায়ন করা হয়। এ নিয়ে একটি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল।