© টিডিসি ফটো
সারাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিতব্য সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেবে না ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। আজ শনিবার বিকালে ডাকসুর নির্বাহী সভায় এমন সুপারিশই করা হয়েছে।
সভা শেষে ডাকসুর জিএস গোলাম রব্বানী সাংবাদিকদের বলেন, ১৯৭৩ এর অধ্যাদেশ অনুযায়ী ঢাবির ঐতিহ্য ও স্বকীয়তা বজায় রাখতে আমরা সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার বিপক্ষে রায় দিয়েছি। অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালয় তার স্বতন্ত্র ভর্তি প্রক্রিয়া পদ্ধতি অব্যাহত রাখবে। এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভাতেও আমরা এই কথা জানিয়েছি।
রব্বানী আরও জানান, হল প্রশাসনের মাধ্যমে সিট বরাদ্দ দেয়া হয়। এজন্য ইতোমধ্যে হল প্রাধ্যক্ষ ও আবাসিক শিকক্ষদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। আশা করি এ নিয়ম ব্যতিক্রম কিছু ঘটবে না।
তিনি বলেন, আবাসিক হলে যেসব ছাত্রের স্নাতকোত্তর শেষ হয়েছে তাদের ১৫ দিনের মধ্যে হল ছাড়ার কথা বলা হয়েছিল। তবে সেটা অযৌক্তিক হওয়ায় আমরা নূন্যতম তিনমাস সময় দিয়েছি। তিন থেকে ৬ মাসের মধ্যে তারা যেন হল ছেড়ে চলে যায়। পাঁচটি হলে বাঙ্ক বেডের ব্যবস্থা করা হবে। জসিম উদ্দিন হল, বঙ্গবন্ধু হল, এফ রহমান হল, সলিমুল্লাহ হল এবং আরেকটি পরে বিবেচনা করা হবে।
ক্যাম্পাসের ভ্রাম্যমাণ দোকান নীতিমালা গ্রহণ করা হবে। নির্দিষ্ট দোকানদারকে আইডেন্টিটি কার্ড দেওয়া হবে এর বাইরে কেউ দোকান দিতে পারবে না। ১৫ থেকে ২০টিরও বেশি দোকান থাকবে না।
ক্যাম্পাসের যানজট হয় সেজন্য নীলক্ষেত থেকে টিএসসি পর্যন্ত একমুখী লেন তৈরি তৈরি করা হবে। সিটি করপোরেশনকে এ ব্যাপারে চিঠি দেওয়া হয়েছে এবং ১৫থেকে ২০ দিনের মধ্যে এই ব্যবস্থা করা হবে।