ছাত্রী ধর্ষণ নিয়ে সোমবার দিনভর উত্তাল ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। একদিকে ছাত্রলীগ যেমন বিক্ষোভ-মিছিল পালন করেছে, তেমনি বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ নেতাকর্মীরাও ছিল সরব। ধর্ষকের শাস্তি দাবিতে প্রতিবাদ জানিয়েছে ছাত্রদলসহ অন্যান্য সংগঠনগুলোও। তবে এসব ডামাডোলের মধ্যেই ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুরের বিরুদ্ধে একদল শিক্ষার্থীর কর্মসূচি পণ্ড করার অভিযোগ তুলেছে সম্মিলিত ছাত্র পরিবার পরিষদ নামে একটি সংগঠন। ভিপির কাছে বিষয়টির ব্যাখ্যাও চেয়েছেন ওই শিক্ষার্থী।
তার বক্তব্য, ডাকসুর ভিপি ৪৩ হাজার শিক্ষার্থীর প্রতিনিধি। অন্যের কর্মসূচিতে বাঁধা দিয়ে ভন্ডুল করার এখতিয়ার তার নাই। তাছাড়া উনি যেমন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, আমরাও তেমন এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি। অভিযোগটি সম্পর্কে ব্যাখ্যা দিয়েছেন সাধারণ ছাত্র অধিকার পরিষদের আরেক নেতা মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন। দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে তিনি বলেন, আমরা মিছিল নিয়ে অপরাজেয় বাংলার দিকে চলে যাচ্ছিলাম। মিছিলটি যখন রাজু ভাস্কর্যের সামনে চলে আসে, ঠিক সেই সময় কিছু মিডিয়া ভিপির বক্তব্য নিতে তাকে ঘিরে ধরে। আমরা বলি, বক্তব্য অপারাজেয় বাংলায় দেব, এই বলে চলেও যাচ্ছিলাম। কিন্তু তখনই মাইম তাদের সাথে সংহতি জানাতে বলে। সংহতি জানাতে গেলে মিডিয়া আবার সেখানে যায়। ভিপির বক্তব্যের মধ্যেও বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে। রাশেদ বলেন, কারো সভা পণ্ড করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়, বিষয়টি পরিস্থিতির কারণে হয়েছে।
রাশেদের প্রশ্ন- যখন মাইম ভিপিকে ডাকলেন, তখন কেন ওই শিক্ষার্থী মাইমকে নিষেধ করলেন না? মাইমকে কেন বললেন না যে, সংহতিমূলক বক্তব্য দেওয়া যাবেনা? হঠাৎ তাকে ঘিরে উল্টাপাল্টা প্রশ্ন করা সমীচীন নয়।