ফুটেজ গায়েবের জন্য নুরদের অভিযুক্ত করলেন সাদ্দাম

২৯ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৫:০৪ PM

ডাকসু ভবনে হামলার সময় ভিডিও ফুটেজ গায়েব হওয়ার জন্য আহত ভিপি নুর ও তার সংগঠনের নেতাকর্মীদের অভিযোগ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ডাকসুর এজিএস সাদ্দাম হোসেন।

রবিবার ডাকসু ভবনে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এ অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, সেদিন (২২ ডিসেম্বর) ভিপি নুরুল হকের সংগঠনের নেতাকর্মীরা আগেই মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। সে ঘটনাকে লুকাতে এই সিসিটিভি ফুটেজ গায়েব করা হয়।

সিসিটিভির ফুটেজ গায়েব করার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘হামলার তথ্য-প্রমাণ গায়েব করার জন্য তারা নিজেরাই ফুটেজ গায়েব করেছে। সিসিটিভির ফুটেজ উদ্ধার করে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।’ এসময় বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদকে সাম্প্রদায়িক শক্তি হিসেবে অভিহিত করেন সাদ্দাম হোসেন।

এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি নুরুল হক নুর ফের ‘সাজানো’ আন্দোলন-আন্দোলন খেলা করলে উপযুক্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে কালক্ষেপন করবে না বলে হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন সাদ্দাম হোসেন।

সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পক্ষে আমরা বলতে চাই, ভিপি নুরের অপকর্ম গোপন করা ও তার সংগঠনের বিস্তৃতির জন্য যদি পুনরায় সাজানো আন্দোলন-আন্দোলন খেলার ক্ষেত্র তৈরি করে ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল করা হয়, শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করা হয়, তাহলে প্রশাসনের নিকট আহবান থাকবে কঠোর হস্তে তা দমন করার।’

এছাড়া যদি প্রশাসন তা করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে উপযুক্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে ডাকসু কোনমতেই কালক্ষেপন করবে না বলেও হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি।

এক প্রশ্নের জবাবে সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘এখানে অবশ্যই প্রশাসনের ব্যর্থতা ছিলো। এর আগে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতাকর্মীদের আগেও মারধর করেছে। এর জের ধরেই ডাকসুর ওই ঘটনা ঘটেছে।’

তিনি বলেন, ‘সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ এবং মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ কোনটিই পরিবেশ সংসদের অনুমোদিত নয়। কারোর কর্মকাণ্ডই সমর্থনযোগ্য নয়।’ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের কেউই ওই হামলার সঙ্গে জড়িত নয় বলে দাবি করেন তিনি।

ডাকসুর এজিএস আরো বলেন, ‘দুই পক্ষেরই দায় রয়েছে। কারোর পক্ষেই ছাত্রলীগ নেই। যারাই ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাদের সবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। এসব ব্যাপারে নুর সিরিয়াল লায়ারে পরিণত হয়েছে।’ এসময় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলায় জড়িত নয় দাবি করে ছাত্রলীগের যাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে তা প্রত্যাহার করার দাবি জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘নাটকবাজ থেকে দুর্নীতিবাজ ভিপিতে পরিণত হয়েছেন নুরুল হক নুর। আর এখন শাহবাগ থানায় মামলা করার চেষ্টা করে মামলাবাজ ভিপিতে পরিণত হয়েছেন। দুর্নীতির বিষয়টি আড়াল করার জন্য সিম্প্যাথি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ যদি বিনষ্ট করার চেষ্টা করা হয় এবং শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে যদি রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টা করা হয়, তাহলে সেটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার মেনে নেবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এসময় আরো কয়েকটি দাবি তুলে ধরেন সাদ্দাম হোসেন। তারমধ্যে রয়েছে, ডাকসু ভবনের মধ্যে অবস্থান করা নুরের সহযোগী বহিরাগতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে; ডাকসু ভবনে ভাংচুরে জড়িত উভয় পক্ষের সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে; সাম্প্রদায়িক উস্কানিমূলক বক্তব্য দেয়ায় নুরকে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে এবং তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

 

ফুটবল খেলায় অতিথি না করায় ১৪৪ ধারার ‘মাইকিং’, ছাত্রদল নেতাক…
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
দেশের ৮ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস আবহাওয়া অধিদপ্তরের
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতাল হবে ৫০০ শয্যার, ১৫ তলা ভবন নির্মাণ…
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
নবীনদের স্বাগত জানিয়ে ঢাবিতে ছাত্রদলের মিছিল
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
ঢাবির ফজলুল হক হলের ভিপি, সমাজসেবা সম্পাদক ও ভুক্তভোগী শিক্…
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬
সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে স্থানান্ত…
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬