ইস্তেকবালকে দেখতে তার বাড়িতে প্রতিমন্ত্রী © সংগৃহীত
কবি ও আবৃত্তিশিল্পী ইস্তেকবাল হোসেন গুরুতর অসুস্থ। সম্প্রতি ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ায় পর থেকে রাজধানীর একটি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। পরে অবস্থার উন্নতি হলে গাজীপুরস্থ তার নিজ বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।
ইস্তেকবাল হোসেন বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ইতিহাসে ১৯৮৯ সালে সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়ে সাহিত্য সম্পাদক নির্বাচিত হন তিনি। পেশায় আইনজীবী ইস্তেকবাল হোসেন গাজিপুর সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের প্রতিষ্ঠাতা। জাতীয় কবিতা পরিষদ এবং সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের প্রতিষ্ঠার সময়ের অন্যতম সংগঠক তিনি।
বুধবার যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জাহিদ আহসান রাসেল ইস্তেকবাল হোসেনকে দেখতে তার বাড়িতে যান। এসময় তার খোঁজ-খবর নেন প্রতিমন্ত্রী। পরে প্রতিমন্ত্রী তার ফেসবুক পেজে লিখেন, ‘ডাকসুর সাবেক সাহিত্য সম্পাদক ও গাজীপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এড. ইস্তেকবাল হোসেন ব্রেইন স্ট্রোক করে মারাত্মক ভাবে অসুস্থ। তার আশু রোগমুক্তির জন্য আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের নিকট দোয়া করছি’।
নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সাহসী মুখ ইস্তেকবাল হোসেন সাহিত্য পত্রিকা ‘মানবো না এ শৃঙ্খলে’ সম্পাদনা করেছেন। ৫৭ বছর বয়সী কবি ইস্তেকবাল হোসেনের দু’টি কাব্যগ্রন্থ-গেরিলা রাতের চোখ ও সারা মন দূরের দুপুর এবং দু’টি আবৃত্তির ক্যাসেট রয়েছে।