চার দিনের রিমান্ডে এমপি গাজী নজরুল

২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০২ PM , আপডেট: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২০ PM
এমপি গাজী নজরুল ইসলাম

এমপি গাজী নজরুল ইসলাম © সংগৃহীত

দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলামের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সেইসঙ্গে তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা বেগমের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এহসানুল ইসলাম শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। তাদের সাত দিন করে রিমান্ড চেয়ে আবেদন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামসুজ্জোহা সরকার।
এর আগে, আজ বেলা ২টা ২০ মিনিটের দিকে একটি গাড়িতে করে আসামিদের আদালত প্রাঙ্গণে আনে পুলিশ। পরে তাদের আদালত তোলা হয়।

রাজধানীর ন্যাম ভবনের ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুলের ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত লাশ গতকাল  সন্ধ্যায় উদ্ধার করা হয়। ফ্ল্যাটটি গাজী নজরুলের। তিনি এই ফ্ল্যাটে তাঁর প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে থাকতেন। এ ঘটনায় গতকাল গভীর রাতে মরিয়মের বাবা মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলাটি করেন। মামলায় গাজী নজরুল, তাঁর প্রথম স্ত্রী মাকছুদাসহ তিনজনকে আসামি করা হয়। অপর আসামি হলেন মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমান (পলাতক)। 

মামলার এজাহারে মাসুম বিল্লাহ অভিযোগ করেছেন, গত জুনে তার শ্যালক ওবায়দুর রহমানের ‘প্রত্যক্ষ প্ররোচনায়’ সংসদ সদস্য গাজী নজরুলের সঙ্গে বাদীর বড় মেয়ে মরিয়মের (১৯) বিয়ে হয়। সংসদ ভবনের বিপরীত পাশে ৫ নম্বর ন্যাম ভবনের ২০৩ নম্বর বাসায় নজরুল ও মাকছুদার সঙ্গে থাকতেন মরিয়ম।

এজাহারে বলা হয়, বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নজরুল ও মাকছুদা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন বলে মরিয়ম তার পরিবারকে বলে গেছেন। এর মধ্যে রবিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে নজরুল মোবাইল ফোনে বাদীকে দ্রুত বাসায় যেতে বলেন। সেখানে গিয়ে মরিয়মকে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলে থাকতে দেখেন বাবা মাসুম বিল্লাহ।

তিনি এজাহারে লিখেছেন, লাশ উদ্ধারের সময় মেয়ের বিছানার ওপরে তার লেখা ‘সুইসাইড নোট’ দেখতে পান।

একটি চিরকুটে লেখা আছে, ‘শুধু মায়ায় পড়েছি বলে বারবার তোমার কাছে নত হই…তা না হলে যতটা সস্তা ভাবছো ততটা সস্তা আমি নই…।’

আরেকটিতে লেখা, ‘আমি অতি বিশ্বাস করে যুদ্ধে নেমেছিলাম তার সাথে, জিততে পারিনি হেরে গেলাম ময়দানে। জিতবইবা কেমনে, যুদ্ধের শেষ প্রান্তে যেয়ে দেখি তুমিতো ছিলে বিপক্ষের সেনাপতি।’

‘আমি হেরেছি তুমি জিতেছো, কারণ আমি তোমাকে বিশ্বাস করেছিলাম বলেই তো ঠকিয়ে জিততে পেরেছো। আমি ধ্বংসের শেষ দাঁড়িয়েও মুখে হাসি রেখেছি। ভেবে নাও এই হাসির কারণই হবে তোমার ধ্বংসের কারণ।’

আরেকটি চিরকুটে আছে দুটি লেখা। একটিতে আছে,‘সে ছিলো অন্য নারীর স্বামী। কাগজে কলমে অধিকার ছিল তার বউ এর…!!! আর আমি ছিলাম বোকা…!!! অন্য কারো স্বামীকে বানিয়েছিলাম নিজের শখের পুরুষ…!! ’

অপর লেখায় আছে, ‘কাউকে অর্ধেক পাওয়ার চেয়ে হারিয়ে ফেলা বেশির সম্মানের। কারণ ভালোবাসা কখনোই ভাগ করে নেওয়ার বিষয় নয়…ভালোবাসা হয় সম্পূর্ণ, না হয় অপূর্ণ!’ 

অপ্রতিম হত্যা: শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হলো দুই আসামিকে
  • ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তেলের দাম বিশ্ববাজারে কমছে, বাংলাদেশে কেন বাড়ল— ব্যাখ্যা দি…
  • ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ফিল্ড অফিসার নিয়োগ দেবে মেঘনা গ্রুপ, আবেদন ২৭ সেপ্টেম্বর পর…
  • ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে শুভসূচনা বাংলাদেশের
  • ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দফায় দফায় সংঘর্ষ, ইবির ফুটবল টুর্নামেন্ট স্থগিত
  • ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তুহিনকে নিয়ে ফাহাদই প্রথম তথ্য দেয় অপ্রতিমের বাবাকে, সহযোগি…
  • ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬