নিহত পুলিশ সদস্য © সংগৃহীত
সাভারের আমিনবাজারে পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) উপপরিদর্শক (এসআই) আলতাফ হোসেনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রাইভেটকারের চালক ও মালিক জহিরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) ভোরে আমিনবাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল আলম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে আমিনবাজারের বড়দেশি মদিনা হাউজিং এলাকার একটি গেঞ্জি কারখানার সামনে প্রাইভেটকার রাখা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ হয়। বিষয়টি মীমাংসা করতে সেখানে যান এসবির এসআই আলতাফ হোসেন ও তার ছেলে আরিফুল ইসলাম।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, একপর্যায়ে ১০ থেকে ১৫ জন তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে বাবা ও ছেলে গুরুতর আহত হন। পরে হামলাকারীরা আরও লোকজন নিয়ে এসে আলতাফ হোসেনকে মারধর করে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। রাত সাড়ে নয়টার দিকে বাবা ও ছেলেকে উদ্ধার করে ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা আলতাফ হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত আলতাফ হোসেনের বয়স ৫৮ বছর। তিনি এসবির ঢাকার মালিবাগ জোনে কর্মরত ছিলেন। তার ছেলে আরিফুল ইসলামের বয়স ২৬ বছর। তিনি এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন। আলতাফ হোসেন সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানার সাধুপাড়া গ্রামের প্রয়াত জুরাইন আলী শেখের ছেলে। তিনি পরিবার নিয়ে সাভারের আমিনবাজারের বড়দেশি মদিনা সিটি এলাকায় বসবাস করতেন।
এ বিষয়ে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন বলেন, গাড়ি পার্কিং নিয়ে তুচ্ছ একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিজ বাসার কাছেই এসবির ওই এসআই হামলার শিকার হন। দুই পক্ষের বিরোধ মেটাতে গিয়ে তিনি ও তার ছেলে হামলার শিকার হন। ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
এ ঘটনায় এরই মধ্যে প্রাইভেটকারের চালক ও মালিক জহিরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ বলছে হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।