ক্রিডোর পরিসংখ্যান
প্রতীকী ছবি © সংগৃহীত
১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের পর বিএনপি সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম তিন মাসে ১৩৭ জন নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। ভুক্তভোগীদের ৯১ জনই শিশু, যা মোট ধর্ষণের ৬৩ শতাংশ। আর্কাইভভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ক্রাইসিস ডকুমেন্টেশন সেন্টারের (ক্রিডো) পরিসংখ্যানে এই তথ্য উঠে এসেছে।
২০২৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০ মে পর্যন্ত আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক), অধিকার ও ক্রাইসিস ডকুমেন্টেশন সেন্টারের তথ্য-উপাত্ত থেকে এই পরিসংখ্যান তৈরি করা হয়েছে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদকে সূত্র হিসেবে পরিসংখ্যানে ব্যবহার করা হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।
ক্রিডোর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিএনপি সরকারের ক্ষমতায় আসার পর সবচেয়ে বেশি শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে চলতি মে মাসের প্রথম ২০ দিনে। আবার ১৮ বছরের বেশি বয়সী নারী ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে মার্চ মাসে, ১৫ জন। এই তিন মাসে ৯১ জন শিশু ও ৪৬ জন ১৮ বছরের বেশি বয়সী নারী ধর্ষণের শিকার হন। এই সময়ে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা ঘটেছে ২২টি এবং ধর্ষণের পর হত্যার শিকার হয়েছেন ২১ জন।
গত ১৯ মে রাজধানী ঢাকার পল্লবীতে ৮ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। ঘটনাটি নিয়ে দেশজুড়ে ক্ষোভের সৃষ্টি হলে সরকার দ্রুত ন্যয়্যবিচারের আশ্বাস দেয়। ক্রিডো বলছে, এই হত্যাকাণ্ডের পাশাপাশি বর্তমান সরকারের আমলে এবং পূর্বে সংঘটিত সকল ধর্ষণের ঘটনায় ভুক্তভোগীদের জন্য ন্যয়বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
উল্লেখ্য, গত ২১ মে আইন ও সালিশ কেন্দ্র প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০ মে পর্যন্ত কমপক্ষে ১১৮ জন শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ধর্ষণের চেষ্টার শিকার হয়েছে কমপক্ষে ৪৬ শিশু। এছাড়া ধর্ষণ পরবর্তী এবং ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে কমপক্ষে ১৭ শিশু হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়।