ব্রিফ করছেন র্যাব কর্মকর্তা © সংগৃহীত
র্যাব-১১, সিপিসি-৩, নোয়াখালী এবং র্যাব-১০, সদর কোম্পানি, কেরানীগঞ্জ ঢাকার যৌথ অভিযানে লক্ষ্মীপুরের রায়পুরের যুবদল নেতা বিল্লাল হোসেন হত্যা মামলার প্রধান আসামি আরমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
রবিবার (৮ মার্চ) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিএমপি ঢাকার কদমতলী থানাধীন জুরাইন রেলগেট বিক্রমপুর প্লাজার সামনে থেকে সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে যুবদল নেতা হত্যা মামলার প্রধান আসামি আরমান (২৮) গ্রেপ্তার করা হয়।
আরমান লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর থানাধীন দেনায়েতপুর (বয়াতি বাড়ি) এলাকার মো. শাহ আলমের ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৫ মার্চ বেলা ১১টার সময়ে বিল্লাল হোসেন রায়পুরে বাজারের উদ্দেশে নিজ বাড়ি থেকে বের হন। পরে দুপুর পৌনে ১২টার সময়ে রায়পুর থানাধীন পৌর ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দেনায়েতপুর গ্রামের রায়পুর রাজারস্থ লক্ষ্মীপুর টু চাঁদপুর গামী আঞ্চলিক মহাসড়কের পূর্ব পাশে আব্দুল হান্নানের ফলের আড়তের সামনে আরমানের সঙ্গে এক অটোরিকশার চালকের ঝগড়া লাগে। এ সময়ে পাশে থাকা এক বৃদ্ধ তাদের ঝগড়া করতে নিষেধ করলে আরমান বৃদ্ধের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ঘুষি মারেন। ঘটনাটি দেখে বিল্লাল হোসেন প্রতিবাদ করেন এবং বৃদ্ধের গায়ে হাত তোলার কারণ জিজ্ঞেস করলে আরমান তাকেও বুকে, মুখে এ মাথায় এলোপাতাড়ি ঘুষি মারতে থাকে।
বিল্লাল হোসেন ঘটনা স্থলে গুরুতর অসুস্থ হলে আশপাশের লোকজন তাকে রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করালে কর্তব্যরত ডাক্তার প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময়ে পথিমধ্যে আনুমানিক দুপুর পৌনে তিনটার দিকে মারা যান।
এ ঘটনায় বিল্লাল হোসেনের স্ত্রী রায়পুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। উক্ত ঘটনা থেকে আরমান আত্মগোপনে ছিল।
পরবর্তী র্যাব-১১, সিপিসি-৩, নোয়াখালী ছায়া তদন্ত শুরু করলে ৮ মার্চ সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে র্যাব-১১, সিপিসি-৩, নোয়াখালী এবং র্যাব-১০, সদর কোম্পানি, কেরানীগঞ্জ, ঢাকার যৌথ অভিযানে ডিএমপি ঢাকার কদমতলী থানাধীন জুরাইন রেলগেট বিক্রমপুর প্লাজার সামনে থেকে আসামি আরমানকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব জানায়, গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।