সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হচ্ছে আজ © সংগৃহীত
শতাধিক গুম ও খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে স্বাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হতে যাচ্ছে। আজ রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তার বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনসহ সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছে।
ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে সাক্ষ্যগ্রহণের কথা রয়েছে। প্যানেলের বাকি সদস্যরা হলেন- বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে, শুনানির শুরুতেই প্রসিকিউশন মামলার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং স্টেটমেন্ট) প্রদান করা হবে। এরপর এক নম্বর সাক্ষীর জবানবন্দির মাধ্যমে মূল সাক্ষ্যগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হবে।
এর আগে গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দাখিল করা অভিযোগ আমলে নেয়ার পর ২৩ ডিসেম্বর জিয়াউল আহসানকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ১৪ জানুয়ারি তিনটি সুনির্দিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বিচার শুরু করার আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল এবং স্বাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০১১ সালের ১১ জুলাই রাতে গাজীপুরের পুবাইলে জিয়াউলের সরাসরি উপস্থিতিতে সজলসহ তিনজনকে হত্যার অভিযোগ পাওয়া যায়। এটি তার বিরুদ্ধে আনিত প্রথম অভিযোগ।
এছাড়া ২০১০ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যবর্তী সময়ে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার বলেশ্বর নদীর মোহনায় নজরুল ও মল্লিকসহ ৫০ জনকে হত্যার দায়ে তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এটি তার বিরুদ্ধে আনিত দ্বিতীয় অভিযোগ।
তৃতীয় অভিযোগেও ৫০ জনকে হত্যার ব্যাপারে উল্লেখ রয়েছে।
আনা হয়েছে তার ওপর। তৃতীয় অভিযোগটিও একই ধরনের, যেখানে আরও ৫০ জনকে হত্যার তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) ইকবাল করিম ভূঁইয়ার সাক্ষ্য দেওয়ার কথা রয়েছে।