২ হাজার কোটি টাকা পাচার মামলা: তদন্তে আরও ৩৭ নাম

২৫ জুন ২০২৩, ০৭:৪২ PM , আপডেট: ১৯ আগস্ট ২০২৫, ১২:১৮ PM
সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও ইমতিয়াজ হাসান রুবেল

সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও ইমতিয়াজ হাসান রুবেল © ফাইল ছবি

ফরিদপুরের বহুল আলোচিত দুই হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে দুই ভাই শহর আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ইমতিয়াজ হাসান রুবেলসহ ১০ জনের সঙ্গে অধিকতর তদন্তে আরও ৩৭ জনের নাম এসেছে। গত ২২ জুন মোট ৪৭ জনকে অভিযুক্ত করে নতুন করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন পুলিশের অপরাধ তদন্ত সংস্থার (সিআইডি) সহকারী পুলিশ সুপার রায়হান উদ্দিন।

রবিবার (২৫ জুন) সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী সাইফুল ইসলাম মিঠু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আগামী ৫ জুলাই প্রতিবেদনটি শুনানির জন্য ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের আদালতে উপস্থাপনের দিন ধার্য রয়েছে।

এর আগে ২০২১ সালের ৩ মার্চ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির সহকারী পুলিশ কমিশনার (এএসপি) উত্তম কুমার সাহা সিএমএম আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। একই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর এই মামলায় ১০ আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ করে আদেশ দেন ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ কেএম ইমরুল কায়েশ।

এরপর মামলাটি বদলি হয়ে বর্তমান আদালতে আসে। বদলি আদালতে ২০২২ সালের ১ সেপ্টেম্বর চার্জশুনানির দিনে চার্জশিটে কিছু অসঙ্গতি পরিলক্ষিত হলে আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে আদেশ দেন।

এ মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—ফরিদপুর শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি নাজমুল ইসলাম খন্দকার লেভী, শহর যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসিবুর রহমান ফারহান, খোন্দকার মোহতেশাম হোসেন বাবর, এএইচএম ফুয়াদ, ফাহাদ বিন ওয়াজেদ ওরফে ফাহিম, কামরুল হাসান ডেভিড, মুহাম্মদ আলি মিনার ও তারিকুল ইসলাম ওরফে নাসিম।

এছাড়া তদন্ত কর্মকর্তার আবেদন অনুযায়ী ফরিদপুর জেলা শ্রমিক লীগের অর্থ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন ও ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নিশান মাহমুদ শামীম এবং মো. জাফর ইকবাল, ফরিদপুর সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফকির বেলায়েত হোসেন এবং গোপালপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম মজনু অব্যাহতি পান।

দুই হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে ২০২০ সালের ২৬ জুন বরকত ও রুবেলের বিরুদ্ধে রাজধানীর কাফরুল থানায় মামলা দায়ের করেন সিআইডির পরিদর্শক এস এম মিরাজ আল মাহমুদ।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ২০১০ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ফরিদপুরে এলজিইডি, বিআরটিএ, সড়ক বিভাগসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কাজের ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণ করে বিপুল অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন বরকত ও রুবেল।

এছাড়াও মাদক ব্যবসা এবং ভূমি দখল করে অবৈধ সম্পদ গড়েছেন তারা। ২৩টি বাস, ট্রাকসহ বিলাসবহুল গাড়ির মালিক হয়েছেন ওই দুই ভাই। উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করেছেন তারা। রাজবাড়ীতে ১৯৯৪ সালের ২০ নভেম্বর এক আইনজীবী খুন হন। সেই হত্যা মামলার আসামি ছিলেন বরকত ও রুবেল।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, ২০২০ সালের ১৮ জুন মিরাজ আল মাহমুদ তদন্ত কর্মকর্তা নিযুক্ত হন। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, বরকত ও রুবেল অন্তত দুই হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছেন।

বিড়ির মধ্যেও দাঁড়িপাল্লার দাওয়াত: বিতর্কিত মন্তব্যে জামা…
  • ১১ জানুয়ারি ২০২৬
নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের স্বপ্নে ‘আরেকবার চেষ্টা করে দেখার…
  • ১১ জানুয়ারি ২০২৬
চট্টগ্রামে সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার
  • ১১ জানুয়ারি ২০২৬
ফেনীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৭৫টি মোটরসাইকেল ও সিএনজি জব্দ
  • ১১ জানুয়ারি ২০২৬
মোটরসাইকেল বিক্রির সময় দুটি হেলমেট ফ্রি দেওয়া বাধ্যতামূলক…
  • ১১ জানুয়ারি ২০২৬
খাগড়াছড়িতে জাতীয় পার্টির অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে য…
  • ১১ জানুয়ারি ২০২৬
X
UPTO
100%
MERIT BASED
SCHOLARSHIP
ADMISSION OPEN FOR
SPRING 2026
Application Deadline Wednesday, 21 January, 2026
Apply Now

Programs Offered

  • BBA
  • Economics
  • Agriculture
  • English
  • CSE
  • EEE
  • Civil
  • Mechanical
  • Tourism & Hospitality
01810030041-9