আইডিয়ালের মুশতাক ও অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিলে নতুন দিন ধার্য

২৯ আগস্ট ২০২৩, ০৪:০২ PM , আপডেট: ১৭ আগস্ট ২০২৫, ০২:৫৮ PM
অধ্যক্ষ ফৌজিয়া রশিদ, খন্দকার মুশতাক আহমেদ ও কলেজ ছাত্রী

অধ্যক্ষ ফৌজিয়া রশিদ, খন্দকার মুশতাক আহমেদ ও কলেজ ছাত্রী © ফাইল ফটো

কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে রাজধানীর মতিঝিলের আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির দাতা সদস্য খন্দকার মুশতাক আহমেদ ও একই কলেজের অধ্যক্ষ ফাওজিয়া রাশেদীর বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত। 

মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) মামলার প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। এদিন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল করেনি। এজন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা শাকিল সুমু চৌধুরি প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন এদিন ধার্য করেন।

এর আগে গত ১ আগস্ট কলেজছাত্রীকে প্রলোভন ও ধর্ষণের অভিযোগে আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের দাতা সদস্য খন্দকার মুশতাক আহমেদকে প্রধান আসামি করে মামলা করা হয়। মামলার অন্য আসামি হলেন ওই কলেজের অধ্যক্ষ ফাওজিয়া রাশেদী। কলেজছাত্রীর বাবা মো. সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে এ মামলা করেন।

ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৮ এর বিচারক বেগম মাফরোজা পারভীনের আদালত ওই দিন বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গণ্য করে নিয়মিত মামলা হিসেবে গ্রহণের আদেশ দেন। এরপর গুলশান থানা মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করে।

মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, তার মেয়ে মতিঝিল আইডিয়ালের একাদশ শ্রেণীর ছাত্রী। আসামি মুশতাক বিভিন্ন অজুহাতে কলেজে আসতেন এবং ভুক্তভোগীকে ক্লাস থেকে প্রিন্সিপালের কক্ষে ডেকে আনতেন। খোঁজ-খবর নেওয়ার নামে আসামি ভুক্তভোগীকে বিভিন্নভাবে প্রলোভন দেখিয়ে প্রলুব্ধ করতেন। কিছুদিন পর আসামি মুশতাক ভুক্তভোগীকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে অনৈতিক প্রস্তাব দেন। এতে রাজি না হওয়ায় ভুক্তভোগীকে তুলে নিয়ে গিয়ে জোর করে বিয়ে করেন এবং তাকে ও তার পরিবারকে ঢাকা ছাড়া করার হুমকি দেন।

ভুক্তভোগী এ রকম আচরণের বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষকে (২ নম্বর আসামি) ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেন। তিনি (অধ্যক্ষ) ব্যবস্থা করতেছি বলে আসামি মুশতাককে তার রুমে নিয়ে আসেন এবং ভুক্তভোগীকেও ক্লাস থেকে নিয়ে এসে রুমের দরজা বন্ধ করে দিয়ে আসামিকে সময় ও সঙ্গ দিতে বলেন—জানানো হয়েছে মামলার এজাহারে।

এ বিষয়ে বাদী ২ নম্বর আসামির কাছে প্রতিকার চাইতে গেলেও কোনও সহযোগিতা করেননি বরং আসামি মুশতাককে অনৈতিক সাহায্য করে আসতে থাকেন। বাদী উপায় না পেয়ে গত ১২ জুন ভুক্তভোগীকে ঠাকুরগাঁওয়ের বাড়িতে নিয়ে গেলে আসামি মুশতাক তার লোকজন দিয়ে ভিকটিমকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এরপর বাদী জানতে পারেন আসামি ভিকটিমকে একেক দিন একেক স্থানে রেখে অনৈতিক কাজে বাধ্য করেছে এবং যৌন নিপীড়ন করছে।

জামালপুরে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৬
  • ৩০ জুলাই ২০২৬
ময়মনসিংহে হাম উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু
  • ৩০ জুলাই ২০২৬
এবার সিলেটে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা
  • ৩০ জুলাই ২০২৬
চার-পাঁচ মাসে কিছুই বদলায়নি, তারেক রহমান ছাড়া কারও পরিবর্তন…
  • ৩০ জুলাই ২০২৬
বাম চোখে আর কখনও দৃষ্টিশক্তি ফিরবে না আলিফের
  • ৩০ জুলাই ২০২৬
টাকা দিয়ে হলেও সংঘাত থামাতে চায় সৌদি আরব
  • ৩০ জুলাই ২০২৬