ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা থানা © টিডিসি
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় তামান্না আক্তার মৌ (২২) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী। খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশ গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ফরিদপুর মর্গে প্রেরণ করেছে।
আজ সোমবার দুপুর ১২টার দিকে ভাঙ্গা পৌরসভার চন্ডিদাসদি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত তামান্না আক্তার মৌ ভাঙ্গার চন্ডিদাসদি এলাকার শাখাওয়াত হোসেনের স্ত্রী ও পার্শ্ববর্তী নগরকান্দার উপজেলার রামেশ্বর এলাকার আতিয়ার রহমানের মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে তামান্নাকে ঘরের দরজা বন্ধ অবস্থায় দেখতে পান তার স্বামী। পরে দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে তাকে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তিনি। এরপর তামান্নাকে উদ্ধার করে ভাঙ্গা গ্রীন প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা করে তামান্নাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ সময় স্ত্রী তামান্নার মরদেহ হাসপাতালে রেখে স্বামী শাখাওয়াত হোসেন কৌশলে পালিয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। দুপুরে মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য ফরিদপুর মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তামান্নার বাবা আতিয়ার রহমানের দাবি, আমার মেয়েকে তার স্বামী শাখাওয়াত নির্যাতনের পর হত্যা করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখেছে। আমি আমার মেয়ের বিচার চাই।
এ বিষয়ে ভাঙ্গা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আরিফ বলেন, ‘খবর পেয়ে হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’