নৌপুলিশের উদ্ধার অভিযান © সংগৃহীত
খুলনায় ভৈরব নদে ফেরির সঙ্গে সংঘর্ষে ৩৫ থেকে ৪০ জন যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলার ডুবে গেছে। মঙ্গলবার রাত পৌনে ১০টার দিকে নগরীর জেলখানাঘাট এলাকায় ভৈরব নদের মাঝনদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে ফায়ার সার্ভিসের দাবি, ট্রলার থেকে পানিতে পড়ে যাওয়া সবাইকে উদ্ধার করা হয়েছে। নদীতে তীব্র স্রোত থাকায় ডুবে যাওয়া ট্রলারটি এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জেলখানাঘাট থেকে যাত্রী নিয়ে সেনের বাজারের দিকে যাচ্ছিল ট্রলারটি। মাঝনদীতে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ফেরির সঙ্গে ট্রলারটির সংঘর্ষ হয়। এতে ট্রলারে থাকা যাত্রীরা নদীতে পড়ে যান। কিছুক্ষণের মধ্যেই ট্রলারটি ডুবে যায়।
দুর্ঘটনার পর আশপাশে থাকা নৌযান, স্থানীয় লোকজন এবং ফেরিতে থাকা ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত উদ্ধার তৎপরতায় এগিয়ে আসেন। পরে নদী থেকে যাত্রীদের উদ্ধার করা হয়।
ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় পানিতে পড়ে যাওয়া সবাইকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তবে ভৈরব নদে তীব্র স্রোত থাকায় ডুবে যাওয়া ট্রলারটি উদ্ধার করা যায়নি।
কেউ নিখোঁজ রয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত করতে নৌপুলিশের টহল ও অনুসন্ধান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
রূপসা নৌ-ফাঁড়ির ইনচার্জ আবুল খায়ের বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। আমাদের সাথে উদ্ধার কর্মকাণ্ডে যোগ দেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। স্থানীয় ডুবুরীদের সাথে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরীরাও যোগ দেয়। এ পর্যন্ত কোনো মিসিংয়ের খবর কেউ দেয়নি। তবে ট্রলারটি মিসিং আছে।’
এদিকে, ভৈরব নদের এই ঘাট এলাকায় আগেও দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। তাদের দাবি, ঘাটের অব্যবস্থাপনা, নৌযান চলাচলে সমন্বয়ের অভাব এবং পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা না থাকায় বারবার দুর্ঘটনা ঘটছে।
দুর্ঘটনার বিষয়ে নৌপুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উদ্ধার কার্যক্রমের পাশাপাশি নিখোঁজ কেউ রয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় তৎপরতা চালানো হচ্ছে।