এ জি এম সেলিম ও বদলির আদেশ © সংগৃহীত
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) ইমারত নির্মাণ কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এ জি এম সেলিমকে বদলি করা হয়েছে রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে। তবে বদলি আদেশের ৯ দিন পার হয়ে গেলেও তিনি এখনো নিয়মিত সিডিএতেই অফিস করে যাচ্ছেন। এমনকি বদলির আনুষ্ঠানিক কোনো আদেশ পাননি বলেও দাবি করছেন তিনি।
গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক শাখা-৪ (অনুবিভাগ-১)-এর সহকারী সচিব আম্বিয়া সুলতানা স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে গত ৩০ জুলাই সিডিএর চার কর্মকর্তাকে একযোগে বদলি করা হয়। আদেশে বলা হয়, আগামী ৯ আগস্টের মধ্যে তাদের নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে এবং নির্দিষ্ট দিনেই তারা সিডিএ থেকে অবমুক্ত হবেন।
আদেশ অনুযায়ী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এ জি এম সেলিমকে নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে বদলি করা হয়েছে। এ ছাড়া সিডিএর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফুল ইসলামকে বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে নির্বাহী প্রকৌশলী, উপসহকারী প্রকৌশলী মো. ওসমান সিকদারকে রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে ও উপসহকারী প্রকৌশলী এ এস এম মিজানকে বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে স্থানান্তর করা হয়েছে।
সিডিএর ইমারত নির্মাণ কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বে থাকাকালে এ জি এম সেলিমের বিরুদ্ধে ভবনের নকশা অনুমোদন ও ফাইল আটকে রাখা নিয়ে নানা অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, ‘সিডিএর তদন্তে কোনো অনিয়ম পাওয়া যায়নি। দুর্নীতি দমন কমিশনও (দুদক) অনুসন্ধান শেষে আমাকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে। মূলত একটি পক্ষ আমাকে হয়রানি করতে এসব ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলেছিল।’
বদলি প্রসঙ্গে এ জি এম সেলিম বলেন, অফিস আদেশ ও সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত হাতে পেলে তিনি অবশ্যই নতুন কর্মস্থলে যোগ দেবেন।
তবে সিডিএর জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহম্মদ আবুল হাসনাত এ বিষয়ে স্পষ্ট করে বলেন, মন্ত্রণালয় থেকে একবার বদলির আদেশ জারির পর আবার স্থানীয়ভাবে কোনো আদেশ দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। এটি প্রশাসনিক বদলির একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। মন্ত্রণালয় থেকে আদেশের বিষয়টি জানানো সত্ত্বেও কেউ যদি ‘জানেন না’ বলে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন, তবে সেটি একান্তই তার ব্যক্তিগত বিষয়।