নোয়াখালীতে দুর্নীতির অভিযোগে ম্যাটস কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

০৯ জুন ২০২৬, ০৪:৫৪ PM
ম্যাটস প্রশাসনিক কার্যালয়ের সামনে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

ম্যাটস প্রশাসনিক কার্যালয়ের সামনে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ © সংগৃহীত

নোয়াখালী মেডিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুলের (ম্যাটস) প্রশাসনিক কর্মকর্তার শূন্য পদে বদলি হয়ে আসা মো. কামরুল হাসান নামের এক ব্যক্তির যোগদান ঠেকাতে বিক্ষোভ করেছেন নোয়াখালী মেডিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুলের (ম্যাটস) শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (৯ জুন) বেলা ১১টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত ম্যাটস প্রশাসনিক কার্যালয়ের সামনে ক্লাস বর্জন করে দ্বিতীয় দিনের মতো ওই কর্মসূচি পালন করে শিক্ষার্থীরা। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রশাসনিক কর্মকর্তা পদে বদলি হয়ে আসা মো. কামরুল ইসলামের যোগদানপত্র গ্রহণ থেকে বিরত থাকে কর্তৃপক্ষ।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানায়, গত বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমী স্বাক্ষরিত এক দাপ্তরিক আদেশে কুমিল্লা মেডিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুলের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলামকে নোয়াখালী ম্যাটসে বদলি করা হয়। ওই কর্মকর্তা বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নোয়াখালীতে কর্মরত ছিলেন। তখন তার বিরুদ্ধে নানা দুর্নীতি ও অনিয়মের জড়িত থাকার কারণে ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে তাকে কুমিল্লা মেডিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুলে বদলি করা হয়। কিন্তু নোয়াখালী ম্যাটসের স্থগিত হয়ে থাকা একটি নিয়োগকে সামনে রেখে তিনি আবার এই প্রতিষ্ঠানে বদলি হয়ে এসেছেন। যা সাধারণ শিক্ষার্থীরা মেনে নেবে না।

এ সময় শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক কর্মকর্তা কামরুল ইসলামকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থকেন। তারা বিগত সরকারের দোসর আখ্যায়িত করে তার বিরুদ্ধে দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল, প্রশাসনিক ভবনের সামনে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করেন। এর আগে গতকাল শিক্ষার্থীরা ম্যাটসের অধ্যক্ষ ডা. শায়লা সুলতানা ঝুমার সঙ্গে দেখা করে তাকে প্রশাসনিক কর্মকর্তা পদে বদলি হয়ে আসা কামরুল ইসলামকে যোগদান করতে না দেওয়ার অনুরোধ করেন। বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ম্যাটস শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাত সাব্বির,মাহবুব আলম শান্ত,কাজী আবদুল্লাহ আল আফিফ ও হাফিজ আলী ও আরাফাত হোসেনসহ অনেকে।

ম্যাটস নোয়াখলীর অধ্যক্ষ শায়লা সুলতানা ঝুমা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘গতকাল সোমবার বেলা ১১টার দিকে কামরুল ইসলাম দলবল নিয়ে তাঁর পদে যোগদান করতে আসেন। সঙ্গের লোকজন এ সময় তাঁর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। এতে তিনি ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েন। তিনি তাদের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন এবং ড্যাবের মতামতের বিষয়টিও অবহিত করেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তিনি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে যোগদান আপাতত স্থগিত রেখেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন।’

প্রশাসনিক কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাকে অন্যায়ভাবে যোগদান করতে দেওয়া হয়নি। তবু তিনি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র অফিসে জমা দিয়ে এসেছেন। তবে যোগদান করতে গিয়ে দলবল নিয়ে যাওয়া এবং অধ্যক্ষকে চাপ প্রয়োগের অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি।

শিক্ষকদের বদলি: আইডি-পাসওয়ার্ড না পাওয়া প্রতিষ্ঠানের করণীয় …
  • ০৯ জুন ২০২৬
ইরানের সঙ্গে ফের যুদ্ধে জড়ালে ইসরায়েলের সাথে নেই ট্রাম্প
  • ০৯ জুন ২০২৬
জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন ঢাবির উপ-উপাচার্য
  • ০৯ জুন ২০২৬
শাবিপ্রবির প্রথম বর্ষের ওরিয়েন্টেশন ১৮ জুন
  • ০৯ জুন ২০২৬
৮ জেলায় ৭টার মধ্যে ঝড় ও বজ্রবৃষ্টির সতর্কবার্তা
  • ০৯ জুন ২০২৬
ঋতুপর্ণা চাকমার ঘর নির্মাণে অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী
  • ০৯ জুন ২০২৬