কোরবানির বাকি আর ৪ দিন, টুংটাং শব্দে সরব মিরসরাইয়ের কামারপল্লি

কামারশালায় কাজ করছেন এক যুবক

কামারশালায় কাজ করছেন এক যুবক © টিডিসি

পবিত্র ঈদুল আজহার আর মাত্র চার দিন বাকি। তাই কোরবানির প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার কামাররা। উপজেলার মিঠাছরা বাজারের কামারপাড়ায় এখন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে লোহা পেটানোর টুংটাং শব্দ। দা, বঁটি, ছুরি, চাপাতি ও কোরবানিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম তৈরিতে যেন দম ফেলার ফুরসত নেই তাদের।

স্থানীয়রা বলেন, ‘অর্ধশত বছর ধরে মিঠাছরা বাজারে চলে আসছে কামারদের এ কর্মযজ্ঞ। কোরবানির ঈদ ঘিরে প্রতিবছরই বাড়ে কাজের চাপ। এবারও ভোর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত টানা কাজ করে ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ করছেন তারা।’

কামাররা জানান, কোরবানির মৌসুমে কাজের চাপ বাড়লেও কাঁচামালের মূল্য বৃদ্ধির কারণে আগের মতো লাভ হচ্ছে না। তবু দীর্ঘদিনের পেশা ধরে রাখতে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তারা।

উপজেলার ওসমানপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা বিমল বিহার কর্মকার বলেন, ‘সারা বছরই আমাদের কাজ চলে। তবে ঈদ আসলে ব্যস্ততা অনেক বেড়ে যায়। দিন-রাত পরিশ্রম করে কাস্টমারদের জিনিসপত্র তৈরি করছি।’

মিঠাছরা বাজারে ৬৫ বছর ধরে এ পেশায় থাকা সুজয় কর্মকার বলেন, ‘এটা আমাদের বাপ-দাদার পেশা। চাইলেও এ পেশা ছাড়তে পারছি না। কিন্তু এখনকার ছেলেরা এসব কষ্টের কাজ করতে চায় না। তাই ভবিষ্যতে এ শিল্প টিকে থাকবে কি না, তা নিয়ে চিন্তায় আছি।’

কোরবানির জন্য ছুরি-চাপাতি কিনতে আসা আব্দুল্লাহ বলেন, ‘বর্তমানে সবকিছুর দাম বেড়েছে। তাই লোহার জিনিসপত্রের দামও বেশি। তারপরও কুরবানির কাজে লাগবে বলে কিনতে হচ্ছে।’

স্থানীয়রা বলছেন, আধুনিকতার ছোঁয়ায় অনেক ঐতিহ্যবাহী পেশা হারিয়ে গেলেও এখনো টিকে আছে কামার শিল্প। তবে নতুন প্রজন্মের অনাগ্রহ ও উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির কারণে এ শিল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

চট্টগ্রাম-বান্দরবানে বন্যাকবলিত ২৯০ পরিবারকে ত্রাণ দিল আইইউ…
  • ২২ জুলাই ২০২৬
দক্ষ সফটওয়্যার ডেভেলপার গড়তে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে …
  • ২২ জুলাই ২০২৬
ফারইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে নবীন বরণ অনুষ্ঠিত
  • ২২ জুলাই ২০২৬
প্রধান শিক্ষক পদ নিয়ে রিট করলে ব্যবস্থা, হুঁশিয়ারি মন্ত্রণা…
  • ২২ জুলাই ২০২৬
ফরিদপুরে কমিউনিস্ট পার্টির বিক্ষোভ সমাবেশ
  • ২২ জুলাই ২০২৬
‎রুয়েটে ভবন নির্মাণে অতিরিক্ত ৭ কোটি টাকা ব্যয়ের অনুমোদন
  • ২২ জুলাই ২০২৬