প্রতীকী ছবি © টিডিসি
সারাদেশে বিভিন্ন স্থানে ধর্ষণের খবর পাওয়া যাচ্ছে। এবার শেরপুরে চতুর্থ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী চাচার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয়রা জানান, পাঁচদিন আগে তার প্রতিবেশীর বাসায় বসে মোবাইলে ভিডিও দেখছিল শিশুটি। এ সময় প্রতিবেশী চাচা কাওসার মিয়া (২১) তাকে বাড়ির পাশে জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করেন। স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তির পরামর্শে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। ফলে ঘটনার পরপরই হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়নি শিশুটিকে। পরে গতকাল শুক্রবার সকালে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে অভিযুক্তের কাওসারের মা ও তাদের পক্ষের লোকজন শিশুটিকে শেরপুর জেলা হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে ভর্তি করেন। কিন্তু বিষয়টি জানাজানি হয়ে যাওয়ায় হাসপাতাল থেকে সটকে পড়েন অভিযুক্তের মা। পরে রাতে গাইনি বিভাগে ভর্তি করা হয় শিশুটিকে। বিষয়টি স্থানীয় সাংবাদিকদের জানানো হলে তারা পুলিশে খবর দেন।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মোঃ মোফাজ্জল হোসেন জানান, শিশুটিকে অবজারভেশনে রাখা হয়েছে। সে অসংলগ্ন আচরণ করছে।
স্থানীয়রা জানান, মেয়েটির বাবা-মায়ের বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যাওয়ায় শিশুটি বাবা ও সৎমায়ের সঙ্গে থাকত। তার আপন মাকে জানানো হয়েছে বিষয়টি।
ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী। তারা এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এ বিষয়ে শেরপুর সদর থানার ওসি সোহেল রানা বলেছেন, ‘মেয়েটির মা থানায় মামলা করবেন। এ বিষয়ে প্রস্তুতি চলছে। অভিযুক্ত যুবক পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। আমরা ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছি। ঘটনাটি নিয়ে নানা ধরনের কথা শোনা যাচ্ছে। তদন্ত করলেই সব বেরিয়ে আসবে।’