এমপিওভুক্তির দাবি

শিক্ষক-কর্মচারীদের গণঅবস্থান, আমরণ অনশনের হুমকি

১৬ অক্টোবর ২০১৯, ০৬:০৩ PM

© টিডিসি ফটো

স্বীকৃতি পাওয়া সব বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির দাবিতে এবং এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ চেয়ে আবারও আন্দোলন শুরু করেছেন এমপিওভুক্ত নয়, এমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা। মঙ্গলবারের পর বুধবার দ্বিতীয় দিনের মতো তারা রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গণঅবস্থান অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন। নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশনের ডাকে এই কর্মসূচি চলছে। এদিকে, আগামীকাল বৃহস্পতিবারের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে স্বাক্ষাতের কোন নির্দেশনা না পাওয়া না গেলে গণঅবস্থান কর্মসূচি থেকে আমরণ অনশনে যাওয়া হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

বৃহস্পতিবার বিকাল কিংবা শুক্রবার সকাল থেকে আমরণ অনশন শুরু হতে পারে বলে জানিয়ে ফেডারেশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম বলেন, চলতি মাসের ৭ তারিখে মানববন্ধন করে আমরা আল্টিমেটাম দিয়েছিলাম যে, ১৫ তারিখের মধ্যে নীতিমালা স্থগিত না করলে ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের ব্যবস্থা না করলে আমরা নীতিমালা স্থগিত ও প্রধানমন্ত্রীর সেঙ্গে সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে লাগাতার অবস্থানের কর্মসূচি দেব। ঘোষণা অনুযায়ী, মঙ্গলবার থেকে আমরা গণঅবস্থান কর্মসূচিতে বসেছি। আমাদের সিদ্ধান্ত হচ্ছে, বৃহস্পতিবারের মধ্যে যদি আমাদের দাবি পূরণ না হয়, তাহলে আমাদের স্পষ্ট ঘোষণা আমরা আমরণ অনশনে যাব।

আমরণ অনশনে কখন যাবেন, জানতে চাইলে শফিকুল বলেন, বৃহস্পতিবারের মধ্যে যদি ঘোষণা না আসে, তাহলে শুক্রবার সকাল থেকে আমরণ অনশনে যাব। তবে বৃহস্পতিবার বিকাল থেকেও যেতে পারি। জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান নেওয়া শিক্ষক-কর্মচারীরা বলছেন, বৈষম্য আর অসঙ্গতিপূর্ণ নীতিমালার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি করায় স্বীকৃতিপ্রাপ্ত অনেক যোগ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। এ বিষয়ে শফিকুল বলেন, আমাদের মূল দাবি ছিল, নন-এমপিও প্রতিষ্ঠানগুলোকে এমপিওভুক্ত করা।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র মতে, মাধ্যমিক স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মিলিয়ে ২ হাজার ৭০০-এরও কিছু বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হতে পারে। এমপিওভুক্ত হলে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা সরকার থেকে মাসে মূল বেতন ও কিছু ভাতা পান। বর্তমানে সারা দেশে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রায় ২৮ হাজার। এগুলোতে শিক্ষক-কর্মচারী আছেন প্রায় ৫ লাখ। স্বীকৃতি পেলেও এমপিওভুক্ত না হওয়া প্রতিষ্ঠান আছে সাড়ে ৫ হাজারের মতো। আর স্বীকৃতি না পাওয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে আরও কয়েক হাজার।

সর্বশেষ ২০১০ সালে ১ হাজার ৬২৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়েছিল। এরপর থেকে এমপিওভুক্তির দাবিতে শিক্ষক-কর্মচারীদের আন্দোলন চলছে। আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে গত বছর এমপিওভুক্তির জন্য জনবলকাঠামো ও এমপিও নীতিমালা জারি করে আবেদন নেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রমের স্বীকৃতি, শিক্ষার্থী ও পরীক্ষার্থীর সংখ্যা এবং পরীক্ষায় পাসের হার-এই চার মানদন্ডের ভিত্তিতে ৯ হাজার ৬১৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আবেদন করে। এরপর যাচাই করে সেগুলোর মধ্যে থেকে যোগ্য প্রতিষ্ঠানের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়।

১৩ ও ১৪তম নিবন্ধনধারীদের বিষয়ে যে প্রস্তাব করল এনটিআরসিএ
  • ০২ এপ্রিল ২০২৬
৯ম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের জোর দাবি এনসিপির
  • ০২ এপ্রিল ২০২৬
অনুমোদনের অপেক্ষায় আরও ৮ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়
  • ০২ এপ্রিল ২০২৬
ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ইরানের বিপক্ষে যুদ…
  • ০২ এপ্রিল ২০২৬
দোকান-শপিং মল বন্ধের সময়ও এগিয়ে আসছে
  • ০২ এপ্রিল ২০২৬
তিনদিন নয়, একদিন অনলাইন ক্লাসের প্রস্তাব মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ…
  • ০২ এপ্রিল ২০২৬