সংস্কার নয়, বাতিল হলো কোটা পদ্ধতি

০৩ অক্টোবর ২০১৮, ০২:২১ PM

দীর্ঘ জল্পনা-কল্পনা শেষে অবশেষে বাতিল করা হলো কোটা পদ্ধতি। সরকারি চাকরিতে প্রবেশে নবম থেকে ১৩তম গ্রেড পর্যন্ত অর্থাৎ প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদে কোটা পদ্ধতি না রাখার প্রস্তাব মন্ত্রিসভা অনুমোদন দিয়েছে। এর ফলে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি থাকছে না। তবে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণিসহ অন্যসব চাকরিতে কোটা বিদ্যমান থাকবে। আজ বুধবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সুপারিশ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তথ্যমতে, সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে চাকরি প্রার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে গত ২ জুলাই মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে প্রধান করে সাত সদস্যের কমিটি গঠন করে সরকার। প্রাথমিকভাবে ১৫ কার্যাদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হলেও পরে আরো ৯০ কার্যদিবস সময় পায় এ কমিটি। গত ১৭ সেপ্টেম্বর প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে। সেটির ভিত্তিতেই আজ আলোচনা-পর্যালোচনা শেষে কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত আসে।

মন্ত্রিসভার বৈঠকে বক্তব্যরত মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম

 

এদিকে কোটা পদ্ধতি বাতিল হলেও এ বিষয়ে ছাত্র সংক্ষরণ অধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি নিয়ে তারা আনুষ্ঠানিক মতামত দেবেন বলে একটি সূত্র জানিয়েছে। ওই সূত্রের দাবি, গতকাল পর্যন্তও তারা ৫ দফার আলোকে কোটা সংস্কারের দাবিতে অনড় ছিলেন। আজ যেহেতু বাতিল সিদ্ধান্ত এসেছে; তাই বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের প্রয়োজন আছে। আন্দোলনকারীদের পাঁচটি দাবির মধ্যে রয়েছে ১) বিদ্যমান কোটা ব্যবস্থা সংস্কার করে ৫৬ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশে নামিয়ে আনা ২) কোটায় কোনও ধরনের বিশেষ নিয়োগ না দেওয়া ৩) চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় কোটা সুবিধা একাধিকবার ব্যবহারের সুযোগ না দেওয়া ৪) সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে সবার জন্য অভিন্ন কাট মার্কস ও বয়সসীমা নির্ধারণ করা এবং ৫) কোটায় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে শূন্য পদগুলোয় মেধা অনুযায়ী নিয়োগ দেওয়া।

জানা যায়, বর্তমানে সরকারি চাকরিতে সংরক্ষিত কোটা ৫৬ শতাংশ। বাকি ৪৪ শতাংশ নেয়া হয় মেধা যাচাইয়ের মাধ্যমে। বিসিএসে নিয়োগের ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ৩০, জেলা কোটায় ১০, নারী কোটায় ১০ ও উপজাতি কোটায় ৫ শতাংশ চাকরি সংরক্ষণ করা আছে। এই ৫৫ শতাংশ কোটায় পূরণযোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে সে ক্ষেত্রে ১ শতাংশ পদে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিয়োগের বিধান রয়েছে। এই কোটা ব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে বেশ কিছুদিন ধরেই আন্দোলন করছিলেন শিক্ষার্থীরা। কোটা সংস্কারের দাবিতে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সড়ক অবরোধও করছিলেন তারা। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষও হয় আন্দোলনকারীদের। গ্রেফতার হন আন্দোলনকারী অনেক নেতা।

জামালপুরে গ্যাস সংকটে হল-মেসে রান্না বন্ধ, বাড়ি ফিরছেন শিক্…
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে, যে কোনো মুহূর্তে পে-স্কেল ঘোষণা: প্রধ…
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
৫০ দৃষ্টিহীন মাদ্রাসা ছাত্রকে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল ছাত্রদলে…
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
দুই মামলায় টিকটকার প্রিন্স মামুনের জামিন, কারামুক্তিতে বাঁধ…
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
শেখ হাসিনা ও হাদি ইস্যুতে আটকে গেল প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
এভারকেয়ার হাসপাতালে চাকরি, আবেদন ২৩ আগস্ট পর্যন্ত
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
nextjobzimage