শিক্ষকদের আন্দোলনে এক মাস বন্ধ হাবিপ্রবি, সেশনজটের আশঙ্কা

০৪ ডিসেম্বর ২০১৮, ১০:২১ PM
হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি) বন্ধ ঘোষনার পর মঙ্গলবার ছাত্রছাত্রীদের হল ত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে। বিদেশী ছাত্রদের হল ছাড়া দুপুর ১২টার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব আবাসিক হল খালি করে দেয়া হয়েছে। এদিকে এক মাসের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় ও হল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পড়ালেখার ক্ষতির পাশাপাশি সেশনজটের আশংকা করছেন শিক্ষার্থীরা।

বেতন বৈষম্যের প্রতিবাদে নতুন পদোন্নতিপ্রাপ্ত ৬১ জন শিক্ষকের আন্দোলন, যৌন হয়রানির অভিযোগে দুই শিক্ষকের বহিস্কারের দাবিতে প্রগতিশীল শিক্ষক ফোরামের আন্দোলন, রেজিষ্ট্রারকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে দুই শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত, শিক্ষকদের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচী ও শিক্ষকদের সাথে তাল মিলিয়ে ছাত্রদের দুই গ্রুপের মুখোমুখি অবস্থানের কারণে বেশ কিছুদিন ধরেই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিরাজ করে হাবিপ্রবিতে। এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এক পর্যায়ে সংঘাতময় পরিস্থিতির দিকে এগুতে থাকে। এই পরিস্থিতির কারনে সোমবার ঢাকায় হাবিপ্রবি’র লিয়াজোঁ অফিসে রিজেন্ট বোর্ডের এক জরুরী সভা বসে। সভায় বিশ্ববিদ্যালয় ৪ ডিসেম্বর থেকে আগামী বছরের ৩ জানুয়ারী পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করা হয়। একই সাথে মঙ্গলবার দুপুর ১২টার মধ্যে ছাত্রছাত্রীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেয়া হয়। প্রশাসনের এই নির্দেশে বাধ্য হয়েই ৬টি হলের প্রায় ৪ হাজার শিক্ষার্থী মঙ্গলবার দুপুর ১২টার মধ্যেই হল ত্যাগ করে চলে যায়। তবে ইন্টারন্যাশনাল হলে অবস্থানরত বিদেশী প্রায় ২’শ শিক্ষার্থীকে হল ত্যাগে বাধ্য করা হয়নি। ফলে বিদেশী শিক্ষার্থীরা হলেই অবস্থান করছে।

শিক্ষার্থীরা জানায়, হঠাৎ করে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা এবং হল ত্যাগে বাধ্য করায় পড়ালেখা ও গবেষণা কার্যক্রমে ক্ষতির পাশাপাশি সেশন জটের আশংকা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা জানান, এমনিতেই বেশ কিছুদিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্ভুত পরিস্থিতির কারণে ঠিকমত ক্লাস ও পরীক্ষা হচ্ছিল না। কিন্তু হলে থেকে তারা লেখাপড়া ও গবেষণার কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু আবাসিক হলগুলো বন্ধ করে দেয়ায় বাড়ীতে গিয়ে আর লেখাপড়া হবে না এবং গবেষণার কাজও তারা করতে পারবে না। এই অবস্থায় তাদের চরম ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় ও হল বন্ধের প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকালে মানববন্ধনও করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

হাবিপ্রবি’র রেজিষ্ট্রার প্রফেসর ড. সফিউল আলম জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদের দুই গ্রুপ মুখোমুখি অবস্থানে গিয়েছিলো এবং নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় বাধ্য হয়েই হল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয় ছুটি ঘোষণা করায় শিক্ষার্থীরা হলে থেকে করবে কি? তাই বিশ্ববিদ্যালয় ছুটির পাশাপাশি হল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, হাবিপ্রবিতে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে প্রথমত কর্মকর্তা ও প্রভাষক নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত, দ্বিতীয়ত ভর্তি পরীক্ষা স্থগিত এবং সর্বশেষ বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করে শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগ করতে বাধ্য করা হলো।

আরাফাত রহমান কোকোর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
  • ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার পরিকল্পনা জয় শাহর: ভারতী…
  • ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
একটি দল এককভাবে ক্ষমতায় যাওয়ার রঙিন স্বপ্ন দেখছে: চরমোনাই প…
  • ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
২০ বছর পর আজ চট্টগ্রামে যাচ্ছেন তারেক রহমান
  • ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
গোপালগঞ্জে যৌথ বাহিনীর চেকপোস্ট, জরিমানা আদায় ৪৫ হাজার টাকা
  • ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
রাবির ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা আজ, জেনে নিন খুঁটিনাটি
  • ২৪ জানুয়ারি ২০২৬