গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র © প্রতীকী ছবি
আগামী ১৭ অক্টোবর বিজ্ঞান বিভাগের ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার মধ্য দিয়ে প্রধমবারের মতো দেশের ২০টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ২৪ অক্টোবর মানবিক বিভাগের ‘বি’ ইউনিট এবং ১ নভেম্বর বাণিজ্য বিভাগের ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
এদিকে, গতকাল বৃহস্পতিবার (৭ অক্টোবর) দুপুর ১২টা থেকে ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে পারছেন শিক্ষার্থী। আগামীকাল শনিবার (৯ অক্টোবর) রাত ১২টা পর্যন্ত ভর্তি বিষয়ক ওয়েবসাইটে (https://gstadmission.ac.bd/) গিয়ে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করার সুযোগ রয়েছে।
প্রবেশপত্র সংগ্রহের পর থেকেই পছন্দক্রম অনুযায়ী পরীক্ষাকেন্দ্র না পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন কিছু শিক্ষার্থী। তাদের দাবি, পছন্দক্রমে নিজ জেলার কেন্দ্রে দেওয়া হলেও পরীক্ষাকেন্দ্র পড়েছে অন্যজেলার কেন্দ্রে। ফলে ভোগান্তি কমাতে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন করা হলেও তাদের জন্য তা সুফল বয়ে আনছে না।
তবে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার আয়োজক কমিটি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ভর্তি নির্দেশিকায় উল্লেখিত পরীক্ষাকেন্দ্র-নির্ধারনী স্কোর এবং পছন্দের তালিকা বিবেচনা করে প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর জন্য পরীক্ষাকেন্দ্র চুড়ান্তভাবে নির্ধারিত হয়েছে। তাই পরীক্ষাকেন্দ্র পরিবর্তনের আর কোনোও সুযোগ নেই।
এর আগে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত টেকনিক্যাল কমিটির আহবায়ক ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেছিলেন, ভর্তি পরীক্ষায় আবেদনের সময় আমরা শিক্ষার্থীদের নূন্যতম পাঁচটি কেন্দ্র পছন্দক্রম দিতে বলেছিলাম। এর মানে এই না যে ওই শিক্ষার্থী কেবল পাঁচটি কেন্দ্রই সিলেক্ট করবে। তারা আরও বেশি কেন্দ্র পছন্দক্রমে রাখলে এই সমস্যা হতো না। যারা ১০টির নিচে কেন্দ্র পছন্দক্রম দিয়েছে কেবল তাদের ক্ষেত্রেই এই সমস্যা দেখা দিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের কেন্দ্র নির্বাচনের সময় আমরা সে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করেছে সেটি সবার আগে দেখি। এরপর তার স্কুল-কলেজ দেখা হয়। এছাড়া ভর্তি পরীক্ষার্থী মেয়ে না ছেলে সেটিও আসন নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রাধান্য পায়। সবকিছু বিবেচনা করে তবেই কেন্দ্র নির্বাচন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের এই সমস্যা তাদের নিজেদেরই তৈরি করা।