পেছাচ্ছে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা, সিদ্ধান্ত লকডাউনের পর

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা  © ফাইল ফটো

দেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে চলমান লকডাউন আগামী ১৬ মে পর্যন্ত বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। আজ বুধবার (৫ মে) জারি করা প্রজ্ঞাপনে বিধিনিষেধ ৫ মে থেকে ১৬ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় প্রথম দফায় গত মাসের ৫ থেকে ১১ পর্যন্ত বিধিনিষেধ দেওয়া হয়। এরপর সেটি দফায় দফায় বাড়িয়ে ১৬ মে পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

এ অবস্থায় দেশের স্বায়ত্তশাসিত ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ সেশনের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা পূর্বনির্ধারিত তারিখে অনুষ্ঠিত হচ্ছে না বলে জানিয়েছে নীতিনির্ধারকরা। তারা বলছেন, চলমান লকডাউন ১৬ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এই বিধিনিষেধ কবে শেষ হবে সেটি নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। তাই লকডাউন শেষ হওয়ার পর ভর্তি পরীক্ষার দিনক্ষণ পেছানো নিয়ে বৈঠকে বসবে উপাচার্যদের সংগঠন বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদ।

জানা গেছে, করোনার চলমান লকডাউন পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার দিনক্ষণ পেছানো যায় কিনা তা নিয়ে আজ বুধবার (৫ মে) বৈঠক ডেকেছিল বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদ। বেলা ১১টায় অনলাইন মিটিং জুমে এটি অনুষ্ঠিত হলেও চলমান লকডাউন আরেক দফায় বাড়ায় তাতে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের বিষয়ে আজকের সভার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ঈদের পরে আবার আমরা বসবো। সেখানে বিষয়টির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, লকডাউন যেহেতু আরেক দফায় বাড়িয়ে ১৬ মে পর্যন্ত করা হয়েছে তাই তড়িঘড়ি করে আমরা সিদ্ধান্তটি নিতে চাচ্ছি না। ঈদের পরে বৈঠকে বসে সিদ্ধান্তটি নেবো।

ভর্তি পরীক্ষা পেছানো হবে কিনা, এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বৈঠকে বসে আমরা পরীক্ষার দিনক্ষণ সমন্বয় করবো। ধরেন আমাদের পরীক্ষা (২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ) আগামী ১৯ জুন থেকে আয়োজনের কথা রয়েছে। অন্যদিকে, আবেদন করতে পারবে লকডাউনের ১০ দিন পর পর্যন্ত। সেক্ষেত্রে ১৬ মের পর লকডাউন শেষ হলে এ মাস চলে যাবে। এরপর প্রশ্নপত্র করা ও ছাপানোসহ পরীক্ষার বিভিন্ন আনুসঙ্গীক কাজগুলো ১৯ জুনের মধ্যে করা নাও যেতে পারে। তাই এই নিয়ে জটিলতা তৈরি হতে পারে।


মন্তব্য