জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষ চলছে, বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন ঘটনাস্থলে

১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৯:৫৭ PM

© টিডিসি ফটো

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) সাধারণ শিক্ষার্থী ও ক্যাম্পাস সংলগ্ন গেরুয়া গ্রামের স্থানীয় অধিবাসীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ চলছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ১০ রাউন্ড গুলি নিক্ষেপ করেন। শুক্রবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত (রাত পৌনে দশটা) সংঘর্ষ চলমান রয়েছে। এসময় ঘটনাস্থলে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন কলে জানিয়েছে কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী

সংঘর্ষ চলাকালে তিনটি মোটরগাড়ি এবং গেরুয়া বাজারের কয়েকটি দোকান ভাঙচুর করা হয়। উত্তেজনা বৃদ্ধিতে স্থানীয় মসজিদগুলোতে জোরপূর্বক মাইকিং করে লোকসমাগম করা হয় বলে অভিযোগ এসেছে। এ ঘটনায় দুপক্ষের দাবি অনুযায়ী প্রায় ২৫ জন আহত হয়।

স্থানীয়রা দাবি করেন, ক্যাম্পাস ছাত্রলীগের অভিষেক, পিয়াস, এলেক্স ও রনির গ্রুপের নেতৃত্বাধীন প্রায় ২০ জন শিক্ষার্থী স্থানীয় একটি সামাজিক সংগঠন বাতিঘরের সদস্য নজরুলকে আটক করে টর্চার করেন এবং মুক্তিপণের জন্য দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। কিন্তু স্থানীয়রা গিয়ে নজরুলকে উদ্ধার করেন।

নজরুল ইসলাম বলেন, আমাকে অভিষেকের পোলাপানেরা অপহরণ করে রাতের মধ্যে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন এবং নির্যাতন চালায়। টাকা দিতে না পারলে মেরে ফেলারও হুমকি দেয় তারা। পরে স্থানীয় ভাই-ব্রাদারেরা আমাকে উদ্ধার করতে আসলে তাদের (শিক্ষার্থী) সাথে সংঘর্ষ শুরু হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ উল হাসান বলেন, ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ঝামেলা হয়। এরপর সেই সূত্রে ধরে স্থানীয়রা জড়ো হয়ে শিক্ষার্থীদের ওপরে হামলা চালায়। এতে একাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছে, এছাড়া কিছু শিক্ষার্থীকে ক্যাম্পাস সংলগ্ন এলাকার মেসগুলোতে আটকে রেখেছেন স্থানীয়রা। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরিয়াল বডি ও পুলিশের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানায় প্রশাসন। পুলিশ জানায়, হামলার তথ্য জানার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে।

আশুলিয়া থানার ওসি কামরুজ্জামান বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বিস্তারিত জানাতে পারব। আমরা ফোর্স বৃদ্ধি করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

এদিকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফারজনা ইসলাম বলেন, গেইটের বাইরে আমার প্রক্টর ও নিরাপত্তা কর্মীদের কিছু করার নেই। আমি পুলিশ পাঠানোর জন্য ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় কথা বলতেছি। তোমরা শিক্ষার্থীরা মাথা ঠান্ডা রাখো এবং বাসায় অবস্থান করো।

অন্যদিকে বিক্ষুদ্ধ শিক্ষার্থীরা বলছেন, আমাদের প্রচুর শিক্ষার্থী গেরুয়াতে বাসা বাড়া নিয়ে আছে। এমন অবস্থায় সেসব বাসায় যাওয়া অনিরাপদ। তাই আমরা অনতিবিলম্বে হল খুলে দেয়ার দাবি জানাচ্ছি। কিছু ক্ষুদ্ধ শিক্ষার্থী তালা ভেঙ্গে হলে প্রবেশ করার কথাও জানান। বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল বন্ধ থাকায় ক্যাম্পাসের আশেপাশে অবস্থানরত সাধারণ শিক্ষার্থীরা উদ্বিগ্ন সময় পার করছে। 

ইসলাম গ্রহণ নিয়ে যা বললেন রবার্তো কার্লোস
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
কমতে যাচ্ছে মোবাইল কলরেট?
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
জকসুর উদ্যোগে ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে আধুনিকায়ন হচ্ছে জবি মেডিকেল…
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
এআই ক্যামেরায় ২ দিনে পাচঁ শতাধিক মামলা
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
খুলনায় পরপর একই স্থানে দুই যুবককে গুলি করে হত্যা
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
অফিসিয়াল প্যাডে বিএনপি নেতাকে অভিনন্দন বার্তা দিলেন উপাচার্য
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬