কেন থাপ্পড় মারলেন শোভন?

০৬ আগস্ট ২০১৯, ০৬:১৬ PM

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের এক নেতাকে থাপ্পড় দিলেন কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন। মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকাতে এ ঘটনা ঘটে। যাকে থাপ্পড় মারা হয়েছে তিনি হলেন বিজয় একাত্তর হল ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক দিদার মাহমুদ আব্বাস। ঘটনাস্থালে থাকা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা দাবি করছেন, বিশৃঙ্খলা করায় তাদের সরিয়ে দিতে তিনি এমনটা করলেন।  

প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা জানা গেছে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যার পলাতক আসামিদের কুশপুত্তলিকায় ফাঁসি দেয়ার কর্মসূচি নেয় ছাত্রলীগ। আজ মঙ্গলবার বিকাল ৫টার দিকে ওই কর্মসূচি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে পালনে আগে থেকে ঘোষণা দেয় সংগঠনটি। এতে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতারা এবং বিশ্ববিদ্যলয়ের নেতা-কর্মীরা অংশগ্রহণ করতে প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এসময় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের গাড়ি এসে পৌঁছে টিএসসিতে। তখন উপস্থিত ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা তাকে প্রটোকল দিতে স্লোগান ধরে। একপর্যায়ে গাড়িতে থাকা শোভনকে সালাম দিতে গিয়ে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা গাড়ির সামনে ধাক্কা-ধাক্কি শুরু করে দেয়।

তখন শোভন গাড়ি থেকে নেমে জটলা পাকিয়ে থাকা নেতা-কর্মীদের দিকে এগিয়ে আসেন। এবং বিজয় একাত্তর হল ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক দিদার মুহাম্মদ আব্বাসকে থাপ্পড় দিয়ে সরিয়ে দেন। চোখের পলকে ঘটে যাওয়া এই দৃশ্য দেখে উপস্থিত অনেকে বোঝে উঠতে পারছিলেন না কী হয়েছে?

বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নেতা বলেন, ‘সভাপতি শোভন ভাইয়ের গাড়ি টিএসসির গেইটে আসলে নেতা-কর্মীরা গাড়ির সামনে জটলা পাকিয়ে স্লোগান দেয়। এবং নিজেদের মধ্যে হাতাহাতি শুরু করে দেয়। ফলে প্রোগ্রামে বিশৃঙ্খলা তৈরি হওয়ার শঙ্কা দেখা দিবে বলে তিনি তাদের শান্ত করতে এগিয়ে আসেন। আর অন্যদের ভয় দেখাতে মূলত মারতে চাওয়ার ভান করেছেন।’

তিনি আরও বলেন, যাকে মারা হয়েছে তিনিও শোভন ভাইয়ের রাজনীতি করেন। ভাই তাকে অন্য উদ্দেশ্যে মারেননি। বরং সবাইকে শান্ত করতে এবং অগাস্ট শোকের মাস, এই মাসে যাতে কোন ধরণের বিশৃঙ্খলা না হয় সেজন্য তিনি তাদের শাসন করেছেন। জাতির পিতাকে যারা হত্যা করে পালিয়ে রয়েছেন, আজ মূলত তাদের কুশপুত্তলিকার ফাঁসি দেয়ার জন্য আমরা একত্রিত হই। সেখানে কেন বিশৃঙ্খলা হবে তা তিনি মানতে পারেননি।

ঘটনাস্থালে থাকা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছাত্রলীগের এক নেতা দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় দুই নেতার প্রতি আমাদের সবার এক ধরনের ভক্তি থাকে। তাই তারা যেখানে যান ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা তাদের প্রটোকল দিয়ে থাকে। অনেক সময় এতে উপস্থিত নেতা-কর্মীদের মধ্যে হালকা-পাতলা ধাক্কা-ধাক্কি হয়ে থাকে। কিন্তু তাদের মারধর করতে হবে এমন পরিস্থিতি কখনো হয়নি। আজকে ঘটনাতে মারধর করার পরিস্থিতি ছিল না। তবে কেন মারধর করা হয়েছে তা বলতে পারছি না।’

তিনি আরও বলেন, ছাত্রলীগের অভিভাবকের এমন আচারণ নেতা-কর্মীরা ভালোভাবে নেয়নি। অনেকে প্রকাশ না করলেও ক্ষুব্ধ হয়েছেন। তারা আঘাত পেয়েছেন।

ডিএমপির ২ উপকমিশনারসহ ৯ পুলিশ কর্মকর্তার বদলি
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে ২ দিন ধরে অনশনে প্রেমিকা
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
মিমি হত্যার রহস্য উদঘাটন করল পিবিআই, উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
কুয়েটে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা, অনুষ্ঠিত হবে ৩ শহরে
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬
রংপুরের সেই কমিশনারের বদলি আরও দুই সপ্তাহ আগেই হয়েছে: পুলি…
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬
কু্বির আবাসিক হলে রাতভর শিক্ষার্থীকে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬