অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ

বিপ্লবের উত্তরাধিকারকে অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে মুখোমুখি দাড় করাতে চায়

১৯ জুলাই ২০২৬, ১০:৫৩ AM
ঢাবির সাবেক উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান

ঢাবির সাবেক উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান © ফাইল ছবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সাবেক উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান বলেছেন, ‘আমাদের এই বিপ্লবের উত্তরাধিকারকে নানা রকম অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে মুখোমুখি দাড় করাতে চায়। ৫২, ৬৯, ৭১, ৯০, ২৪- এর পরম্পরা আছে, ধারাবাহিকতা আছে। এর কাউকেই কারো মুখোমুখি দাঁড় করানোর এই দুরভিসন্ধি, উস্কানি আমাদেরকে যেন বিভ্রান্ত না করে। অনেক রকম সীমাবদ্ধতার মধ্যেও সাহস করে কিছু সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সব সংস্কার সফল হয়নি, কিন্তু উদ্যোগটা নেওয়া হয়েছে।’

রবিবার (১৯ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ‘২য় জুলাই বিপ্লব আন্তর্জাতিক সম্মেলন (আইসিজেআর-II ২০২৬)’-এ বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু), রিসার্চ অ্যান্ড ইন্টিগ্রেটেড থটস (আরআইটি), ইউনিভার্সিটি অফ রেজিনা (কানাডা), নানয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটি (সিঙ্গাপুর) এবং ইয়ুথ ফর বেটার ফিউচার সোসাইটি (ওয়াইবিএফ)-এর যৌথ উদ্যোগে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান বলেন, ‘এখনো সম্ভাবনা আছে তত্ত্বাবধার ব্যবস্থাকে ফিরিয়ে আনার, সম্ভাবনা আছে একটি শক্তিশালী বিচার বিভাগ গড়ে ওঠার। এত বড় বিপর্যয়ের পরও অর্থনীতি টিকে আছে। ১৮ কোটি মানুষের ভার এই অর্থনীতি বহন করছে। সুতরাং কিছুই হয়নি। সব ভেস্তে গেল, জ্বলে গেল- এই প্রোপাগান্ডায় আমাদের বিভ্রান্ত হওয়া চলবে না। কঠিন পথ সামনে আছে। আমাদের চেষ্টা করে যেতে হবে।’

আরও পড়ুন: ঢাবিতে ‘বহিরাগত’ আখ্যা দিয়ে তিন শিক্ষার্থীকে মারধর, ছাত্রদলের ৮ কর্মীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

তিনি বলেন, ‘জুলাই আমাদেরকে তিনটি জিনিস শিখিয়েছে। একটি হচ্ছে আত্মপরিচয় আবার মনে করিয়ে দেয়া যে, এক সময় আমাদের মেরুদণ্ড ছিল, একসময় বাঙালি ছিলাম। এখনো নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও বড় মাপের কিছু কাজ করা সম্ভব, সংস্কার উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব। সবশেষ সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ, জুলাই আমা দেরকে এক জায়গায় করেছে। ভয়ানকভাবে বিভক্ত-বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া জনগোষ্ঠী আমরা একসাথে হয়েছিলাম।’

এই বিশ্ববিদ্যালয় জুলাইয়ের একটি প্রাণকেন্দ্র ছিল উল্লেখ করে অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান বরেন, ‘আমাদের সাথে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, কৃষক-শ্রমিক, গ্রামবাসী, অভিভাবক সবাই একসাথে যোগ দিয়েছিলেন। শুধু বিশ্ববিদ্যালয় না মাদ্রাসা-মহাবিদ্যালয়-বিদ্যালয় প্রত্যেক পর্যায় থেকে ছাত্রদের যে বিশাল জনগোষ্ঠী মাঠে নেমে এসেছিল। আমরা সবাই একসাথে হয়েছিলাম, আমাদের অস্তিত্বের জন্যই যে কোন মূল্যে বিভক্তি ঠেকানো প্রয়োজন। আমরা হয়তো বলি জুলাই আমাদেরকে কি দিয়েছিল? যদি উল্টো করে জিজ্ঞেস করেন, জুলাইকে আমরা কি দিতে পারি?’

ইসরায়েলে নির্বাচন: ৯০ শতাংশ ভোট গণনা শেষেও স্পষ্ট জয় পায়নি …
  • ২৯ অক্টোবর ২০২৬
শেখ হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও ছড়িয়ে চাকরিচ্যুত বিমানবাহিনীর …
  • ২৯ অক্টোবর ২০২৬
লিভার ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে গরম করা ৫ খাবার
  • ২৯ অক্টোবর ২০২৬
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ভোট দিলেন জামায়াত প্রার্থী দেলাওয়ার…
  • ২৯ অক্টোবর ২০২৬
৮ অঞ্চলে ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কতা
  • ২৯ অক্টোবর ২০২৬
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: আগের রাতে ভোটগ্রহণকারী ৯ কর্মকর্তা …
  • ২৯ অক্টোবর ২০২৬