চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় © সংগৃহীত
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘এ’ ইউনিটের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষায় ওএমআরের (উত্তরপত্র) ত্রুটি ধরা পড়ার পর ফলাফল পুনরায় যাচাই করা হচ্ছে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ফলে প্রকাশিত ফলাফলের মেধাক্রম পরিবর্তন হতে পারে।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক সাইদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, যাচাই শেষে আগামীকালের মধ্যেই সংশোধিত ফল প্রকাশ করা হতে পারে।
এর আগে গত ২ জানুয়ারি শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয় বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত এ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা। এতে পরীক্ষা দিয়েছিলেন ৭৯ হাজার ৪১০ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ৪১ হাজার ৬০৯ জন পাস ও ৩৭ হাজার ৮০১ জন ফেল করেছেন। সে হিসাবে পাসের হার প্রায় ৫২ শতাংশ।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, চলতি ৭ জানুয়ারি ‘এ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ হয়। ফল প্রকাশের পর থেকেই একাধিক ভর্তি পরীক্ষার্থী এ ফলে অনিয়ম হয়েছে, এমন অভিযোগ করেন। এসব অভিযোগের পর ১৪ জানুয়ারি ডিনদের নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসেন উপাচার্য। পরে দ্বিতীয় দফায় গত বৃহস্পতিবার দুই উপ-উপাচার্য, ডিন, ভর্তি পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিবকে নিয়ে বৈঠক করেন উপাচার্য। এ বৈঠকে আইসিটি সেলের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক অধ্যাপক সাইদুর রহমানও উপস্থিত ছিলেন। ওই বৈঠকেই ফলাফল যাচাইয়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়।
আইসিটি সেল সূত্র জানায়, সাধারণত ও এমআরে বৃত্তগুলো নির্দিষ্ট মাপ ও দূরত্বে থাকে। তবে প্রাথমিক যাচাইয়ে ‘এ’ ইউনিটের ১৭টি ওএমআরে এসব বৃত্তের মাপে তারতম্য পাওয়া গেছে। এ কারণে বাকি ও এমআরগুলো যাচাই করা হচ্ছে। এসব যাচাইয়ের পর পুনরায় ফল প্রকাশ করা হবে। আপাতত ফল স্থগিত রাখা হয়েছে। যাচাই শেষ হলে শিক্ষার্থীরা তাঁদের ফল ওয়েবসাইটে দেখতে পারবেন।
জানতে চাইলে আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক সাইদুর রহমান বলেন, শিক্ষার্থীদের অভিযোগের পর কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা পরিচালনা কমিটি দুই দফা বৈঠক করেছে। এ অভিযোগের ভিত্তিতে প্রতিটি ওএমআর আলাদা করে যাচাইয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ফল যাচাইয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান বলেন, ‘এ’ ইউনিটের ফলাফলের চূড়ান্ত প্রতিবেদন এখনো তাঁর কাছে আসেনি। ফলাফলে কোনো সংশোধন এলে মেধাতালিকায় পরিবর্তন আসতে পারে।