রাবি চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগে শাটডাউন, সভাপতির পদত্যাগের দাবি

২৩ অক্টোবর ২০২৫, ০৫:১৯ PM
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের অবস্থান

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের অবস্থান © টিডিসি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগে তিন দফা দাবিতে টানা তিন দিনের শাটডাউন কর্মসূচি নতুন দিকে মোড় নিয়েছে। বৈষম্যমূলক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সংশোধনসহ তিন দফা দাবি আদায় না হওয়ায় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বিভাগীয় চেয়ারম্যানের পদত্যাগের দাবি যুক্ত করে আন্দোলন আরও তীব্র করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) বেলা সাড়ে তিনটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলনে তাদের ‘দফা এক দাবি এক, চেয়ারম্যানের পদত্যাগ’, ‘এক দুই তিন চার, চেয়ারম্যান তুই গদি ছাড়’, ‘বহিরাগত চেয়ারম্যান মানি না, মানব না’, ‘সাইকোলজির আধিপত্য, মানি না মানব না’, ‘বৈষম্য নিপাত যাক, সিন্ডিকেট মুক্তি পাক’, ‘সাইকোলজির আধিপত্য ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’, ‘ক্লিনিক্যালের বাংলায় সাইকোলজির ঠাঁই নাই’, ‘ডিপার্টমেন্টে রাজনীতি চলবে না চলবে না’সহ নানা স্লোগান দিতে দেখা যায়।

এ সময় ছেঁড়া শার্ট-প্যান্ট পরে এক হাতে সার্টিফিকেট, আরেক হাতে মুলা নিয়ে প্রতীকী আন্দোলন করতে দেখা যায় বিভাগের তৃতীয় বর্ষের মোহাম্মদ ইমনকে। তিনি বলেন, ‘আমাদের বিভাগের একদিকে চাকচিক্য আছে, অন্যদিকে অন্ধকার। বিভাগের বর্তমান যে অগ্ৰগতি তাতে, এই বিভাগের সার্টিফিকেট দিয়ে আমাদের ভবিষ্যৎ জীবন অন্ধকার হয়ে যাবে। পরিশেষে আমরা এমন মুলা ঝুলতে দেখতে পাব।’

আন্দোলনে একাত্মতা প্রকাশ করে সিনেট ছাত্র প্রতিনিধি আকিল বিন তালেব বলেন, ‘আজ যেখানে আমাদের ক্লাসরুমে থাকার দরকার ছিল, সেখানে গণ-অভ্যুত্থানের পরেও আমাদের যৌক্তিক দাবি নিয়ে টানা ৩ দিন রাজপথে থাকতে হচ্ছে—এটি সত্যিই দুঃখজনক। আমরা সবাই জানি, এই প্রশাসন একটি বিপ্লবী প্রশাসন। দুই দিন ধরে যে আন্দোলন চলছে, এর অযৌক্তিকতা কোথায়? কেন তারা যৌক্তিক দাবিগুলো মেনে নিচ্ছে না? একটি ডিপার্টমেন্ট প্রতিষ্ঠার ১০ বছর হয়ে গেছে, সেখানে যদি আমাদের যথেষ্ট কোয়ালিফায়েড শিক্ষক না থাকে, তাহলে আমরা ঢাবি থেকে শিক্ষক নেব। আর যদি অন্য ডিপার্টমেন্ট থেকেই শিক্ষক এনে পড়াতে হয়, তাহলে এই ডিপার্টমেন্টের দরকার কী ছিল?’

এ বিষয়ে বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এনামুল হক বলেন, ‘আমি গত পরশু দিন ছুটিতে ছিলাম। গতকাল বিভাগে এসেই শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো নিয়ে কথা বলেছি। তাদের আগের দাবিগুলো নিয়ে আমি উপাচার্যের কাছে গিয়েছি। শিক্ষার্থীদের সব দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এগুলো একটু সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। সাবজেক্ট কোডের বিষয়টি পিএসসি ও ইউজিসির বিষয়। এখানে চাইলেই চেয়ারম্যান বা উপাচার্য কিছু করতে পারেন না। শিক্ষার্থীরা চেয়ারম্যানের পদত্যাগের যে  দাবি তুলেছে, তা সম্পূর্ণই অযৌক্তিক।’

উল্লেখ্য, আন্দোলনে বিভাগের শতাধিক শিক্ষার্থী যোগ দেন। এ সময় চেয়ারম্যান কথা বলতে এগিয়ে এলেও শিক্ষার্থীরা তাকে উপেক্ষা করে স্লোগান দিতে থাকেন।

ইসরায়েল ও ইরান এই অঞ্চলকে যুদ্ধে টেনে আনছে: কাতারের প্রধানম…
  • ২০ মার্চ ২০২৬
ঈদযাত্রা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন হাসনাত আবদুল্লাহ
  • ১৯ মার্চ ২০২৬
ভোলার ইলিশা ঘাটে চরম পরিবহন সংকট, ভাড়া গুণতে হচ্ছে ৫-৬ গুণ
  • ১৯ মার্চ ২০২৬
ভোলায় সিএনজি-পিকআপ সংঘর্ষে প্রাণ গেল চালকের, আহত ৫
  • ১৯ মার্চ ২০২৬
ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে বাড়তি ভাড়ায় ভোগান্তি যাত্রীদের
  • ১৯ মার্চ ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভাবির দায়ের কোপে দেবর নিহত
  • ১৯ মার্চ ২০২৬
×
  • Application Deadline
  • April 1, 2026
  • Admission Test
  • April 4, 2026
APPLY
NOW!
UNDERGRADUATE ADMISSION
SUMMER 2026!
NORTH SOUTH UNIVERSITY
Center of Excellence