আফগানিস্তান অধিনায়ক হাশমাতউল্লাহ শাহিদি ও অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ © ফাইল ফটো
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মতো চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতেও সেমিফাইনালে খেলার স্বপ্ন দেখছে আফগানিস্তান। যদিও তা নির্ভর করছে আজ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জয়ের ওপর। বাঁচা মরার লড়াইয়ে আগে ব্যাট করতে নেমে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২৭৩ রান করেছে আফগানরা।
লাহোরে আগের ম্যাচগুলোর তুলনায় পুঁজি তেমন বড় হয়নি। তাই শিশিরের কথা মাথায় রেখে অস্ট্রেলিয়াকে আটকানোটা তাই বড় চ্যালেঞ্জ রশিদ খানদের জন্য। অবশ্য ২৭৩ রান নিয়েই জিততে মরিয়া হয়ে আছেন এই আফগান তারকা।
এ ম্যাচেও টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় আফগানরা। ইংল্যান্ড ম্যাচের নায়ক ইব্রাহীম জাদরানকে নিয়ে প্রত্যাশা থাকলেও এবার ২২ রানের বেশি করতে পারেননি। তাঁর আগে প্রথম ওভারে রহমানউল্লাহ গুরবাজকে বোল্ড করে উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন স্পেন্সার জনসন। দ্বিতীয় উইকেটে সেদিকুল্লাহ আতালকে নিয়ে ৬৭ রানের জুটি গড়েন ইব্রাহীম। তাঁকে ফেরান অ্যাডাম জাম্পা। রহমত শাহ অবশ্য বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি।
তবে চতুর্থ উইকেটে অধিনায়ক হাশমতউল্লাহ শাহিদিকে নিয়ে ৬৮ রানের জুটি গড়েন আতাল। মারকুটে এই ব্যাটার দারুণ খেললেও সাজঘরে ফিরতে হয় সেঞ্চুরির আগেই। জনসনের বল কাভারে খেলতে গিয়ে ক্যাচ দেন স্টিভেন স্মিথের কাছে। ৯৫ বলে ৬ চার ও ৩ ছক্কায় ৮৫ রানে আউট হন তিনি।
মাঝের ওভারে অবশ্য ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে আফগানরা। কিন্তু একপ্রান্তে আগলে রাখেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। তাঁর ৬৩ বলে ১ চার ও ৫ ছক্কায় ৬৭ রানেই আড়াই শ পেরিয়ে লড়াকু সংগ্রহ গড়ে আফগানরা। দারুণ এই ইনিংসটি খেলার পথে ওয়ানডে ক্রিকেটে ১ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৪৭ রান খরচে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট শিকার করেন বেন ডারশুইস। এছাড়া দুটি করে নেন জনসন ও জাম্পা।