গ্রেডিং বিহীন সনদ পাবে জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার্থীরা

২১ অক্টোবর ২০২০, ০৪:৩৬ PM
পরীক্ষার্থী

পরীক্ষার্থী © ফাইল ফটো

চলমান করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে বাতিল করা হয়েছে জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা। তবে অস্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার সাথে সার্টিফিকেট জড়িত থাকায় গ্রেড তৈরি করা নিয়ে দেখা দেয় সংশয়। এ অবস্থায় গ্রেড ছাড়াই শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেট দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

বুধবার (২১ অক্টোবর) মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন নিয়ে আয়োজিত ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যারা অষ্টম শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণিতে উঠবে, অর্থাৎ যাদের জেএসসি বা জেডিসি পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল, তাদের গ্রেডিং ছাড়াই সনদ দেওয়া হবে। আমরা সনদ দেওয়ার বিষয়টির সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবো। অষ্টম শ্রেণিতে পরীক্ষা দিলে তারা সনদ পেতো। এবার পরীক্ষা দিচ্ছে না বলে সনদ পাবে না তা তো নয়। জেএসসির সনদটি কারও কারও জন্য খুব জরুরি হতে পারে। এবার যেমন সবাই পরবর্তী ক্লাসে যাবে। সেজন্য পরীক্ষা যে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শেষ করেছে, কৃতকার্য হয়েছে সেটি উল্লেখ থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে চলতি বছরের মাধ্যমিক পর্যায়ে নতুন পদ্ধতির এক মাসের সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রণয়ন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সে অনুযায়ী, মাধ্যমিকে চারটি সাপ্তাহিক অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে পরবর্তী ক্লাসে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। মাধ্যমিকে এবারের বার্ষিক পরীক্ষাও বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।’

ডা. দীপু মনি বলেন, ‘আমরা বলেছি, এ বছর কোন পরীক্ষা নয়। এই মূল্যায়নটা শিক্ষার্থীদের অবস্থাটা বোঝার জন্য। তাদের দুর্বলতা জানার জন্য। এ বছর বার্ষিক পরীক্ষা হচ্ছে না। পরবর্তী ক্লাসে উত্তীর্ণ হতে যতটুকু পঠক প্রয়োজন সে বিবেচনায় এই সিলেবাস প্রণয়ন করা হয়েছে। এটি অতিরিক্ত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। আশা করছি, সবাই শিখন ফল অর্জন করতে পারবে। এর উপরেই অ্যাসাইনমেন্ট দেয়া হয়েছে। কাজেই শিক্ষকদের দক্ষতা আছে কি নেই, তা তফাত করবে কিনা মনে করছি না।

তিনি বলেন, ‘মূল্যায়নের কোন চাপ সৃষ্টি করা হবে না। সার্বিক দিক বিবেচনা করে এনসিটিবি ৩০ কর্মদিবসের সিলেবাস প্রণয়ন করেছে। এগুলো পরবর্তী ক্লাসের জন্য কাজ করবে। সব প্রধান শিক্ষকের নিকট এটি পাঠাবো হবে। এ সংক্রান্ত অ্যাসাইনমেন্ট পৌছে দেয়া হবে। শিক্ষার্থীরা প্রতি সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট শেষ করবে। এগুলো অনলাইনেও নেয়া যাবে। এ সময়ে অন্য কোন কার্যক্রম চলবে না। শিক্ষার্থীদের যেখানে দুর্বলতা থাকবে, সেগুলো পরবর্তী শ্রেণির ক্লাসে পূরণ করা হবে।’

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘গত মার্চে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের পর টেলিভিশন ও অনলাইনে ক্লাস চালু করেছি। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানেও অনলাইনে ক্লাস শুরু হয়েছে। সবাই এর উন্নতিতে কাজ করছে। তবে এটা ঠিক, সবার প্রয়োজনীয় ডিভাইস না থাকায় সমস্যা থাকছে। তবে শিক্ষকরা মোবাইলে খোঁজ-খবর নিচ্ছে। সবার কাছে নতুন বই আছে।’

তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের সহযোগিতার মনোভাব ও ক্লাসে আগ্রহ আছে। একজনের ডিভাইসে বন্ধুরাও পড়ার সুযোগ পাচ্ছে। নভেম্বরের মধ্যে অনেকে সিলেবাস শেষ করতে পারবে। বেশিরভাগ শিক্ষার্থী পাঠ্যবই পড়তে পারবে। তাদের মূল্যায়নের ব্যবস্থা করা হবে। যাদের অ্যাকসেস ছিল না, তাদেরও ক্ষতি পুষিয়ে দেয়ার সুযোগ দেয়া হবে। নানাভাবে তাদের গ্যাপগুলো পূরণ করা হবে।’

অবশেষে পিএসএলে নাহিদ রানার অভিষেক
  • ০৮ এপ্রিল ২০২৬
জুলাই শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় কাল
  • ০৮ এপ্রিল ২০২৬
যুদ্ধবিরতির পরও ইরানের তেল শোধনাগারে হামলা
  • ০৮ এপ্রিল ২০২৬
হাদি হত্যার ২ আসামিকে ফেরত পাঠাতে সম্মত ভারত
  • ০৮ এপ্রিল ২০২৬
হামের উপসর্গ নিয়ে ঝরল আরও ১০ শিশুর প্রাণ
  • ০৮ এপ্রিল ২০২৬
গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ধারাবাহিক কর্মসূচি ঘোষণা এনস…
  • ০৮ এপ্রিল ২০২৬
close