শহীদ আবু সাইদ ও মুগ্ধের বীরত্বগাঁথা পড়বেন হাইস্কুলের শিক্ষার্থীরা

২৮ অক্টোবর ২০২৪, ০৬:২৪ PM , আপডেট: ২১ জুলাই ২০২৫, ১১:২৪ AM
মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ ও  আবু সাঈদ

মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ ও আবু সাঈদ © টিডিসি ফটো

পুলিশের গুলির সামনে দুই হাত বাড়িয়ে দাঁড়িয়েছিলেন, বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছিলেন রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ। ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ হন এই সাহসী তরুণ। আরেক শহীদ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত ডিসিপ্লিনের ১৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ। ‘পানি লাগবে কারো, পানি, পানি?’ বলে তিনি ছাত্র-জনতাকে পানির বোতল দিচ্ছিলেন, তাকেও হত্যা করে পুলিশ। তাদের শহীদী মৃত্যু কাঁপিয়ে দিয়েছিল ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারকে, তরান্বিত করেছিল ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান।

এবার শহীদ আবু সাঈদ ও মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধের বীরত্বপূর্ণ ইতিহাস পড়বে হাইস্কুলের শিক্ষার্থীরা। ২০১২ সালের শিক্ষাক্রমের আলোকে পরিমার্জিত পাঠ্য বইয়ে গল্প যুক্ত করার আভাস দিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।

এনসিটিবির একটি সূত্রে জানা যায়, জুলাই বিপ্লবে তরুণদের বীরত্বগাঁথা ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে মাধ্যমিকের বাংলা সাহিত্য বইয়ে এ দুই শহীদকে নিয়ে গল্প যুক্ত হবে। যেখানে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনের পটভূমি এবং তাদের বীরত্বের বিষয়ে জানতে পারবে। বিষয়টি নিয়ে এনসিটিবির পরিমার্জনের কাজ প্রায় শেষের পথে। নভেম্বরের শুরুতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের প্রধান সম্পাদক মুহাম্মদ ফাতিহুল কাদীর জানান, এ ধরনের একটা একটা কন্টেন্ট রাখার চাহিদা আছে। বিষয়গুলো নিয়ে আমরা কাজ করেছি। যেখানে জুলাই বিপ্লব, আবু সাইদ-মুগ্ধ কিংবা তরুণদের বীরত্বের প্রসঙ্গ উঠে আসবে। তবে এটা থাকবেই, এমনটা এখনই বলা সম্ভব নয়। বিষয়টি মন্ত্রণালয়ে যাবে, উপদেষ্টা দেখবে। এরপর অনুমোদন সাপেক্ষে সেটা পাঠ্যবইয়ে যাবে। 

আবু সাইদ এবং মুগ্ধের গল্প যুক্ত করার বিষয়ে জানতে চাইলে এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ কে এম রিয়াজুল হাসান দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, এ ধরনের একটা আলাপ আলোচনা আছে। তবে সমসাময়িক কোন ঘটনার উপর গল্প তৈরি করে স্বল্প সময়ে এ ধরনের কন্টেন্ট যোগ করার মতো সময় আমাদের আছে কি না সেটাও আমাদের দেখতে হবে। কারণ কন্টেন্টের মান নিশ্চিত না করে কোনো কিছু যাবে না।

কোন শ্রেণি যুক্ত হবে এমন বিষয়ে জানতে চাইলে চেয়ারম্যান বলেন, যে যে শ্রেণির জন্য উপযুক্ত সেটা মন্ত্রণালয় নির্ধারণ করবে। এনসিটিবির কাজ হলো পরিমার্জনের কাজ সম্পন্ন করা। পরিমার্জন শেষ হলে আমরা উপস্থাপন করব। সেক্ষেত্রে মন্ত্রণালয় যে বিষয়গুলো রাখার প্রয়োজন মনে করবে সেগুলো বইয়ের বিভিন্ন অধ্যায়ে যুক্ত করবে। কোন শ্রেণিতে কতটুকু যুক্ত করবে সেটাও মন্ত্রণালয় দেখবে।

জানা গেছে, দায়িত্ব নেয়ার পর নতুন শিক্ষাক্রম বা জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখা-২০২১ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ২০২৫ সালে পরিমার্জিত শিক্ষাক্রম চূড়ান্ত করে ২০২৬ সাল থেকে তা কার্যকর করা হবে। তার আগে ২০২৫ সালে শিক্ষার্থীদের জন্য ২০১২ সালের শিক্ষাক্রমের বই পরিমার্জন করে শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

প্রতিবছর স্কুল, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমিক পর্যায়ের ১ কোটি ৮৯ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য ২৩ কোটি কপি বই ছাপায় এনসিটিবি। তাদের কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী, মে-জুন মাসে বইয়ের পাণ্ডুলিপি প্রুফ রিডারদের দেখানোর কথা ছিল। তবে এবার সেপ্টেম্বরে বই সংশোধনের ঘোষণা এসেছে। এতে আগামী বছরের শুরুতে নতুন বই শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছানো নিয়ে শঙ্কা দেখা দেয়। যদিও জানুয়ারি মাসেই শিক্ষার্থীদের হাতে বই দেওয়া সম্ভব হবে বলে মনে করছেন এনসিটিবি কর্মকর্তারা।

২৫ জানুয়ারি ফেনী যাচ্ছেন তারেক রহমান
  • ২১ জানুয়ারি ২০২৬
দুর্নীতির অভিযোগে যবিপ্রবির শিক্ষক ও প্রকৌশলী বরখাস্ত
  • ২১ জানুয়ারি ২০২৬
টেকনাফ সীমান্তে ১০টি স্থলমাইনের চাপ প্লেট উদ্ধার, এলাকাজুড়ে…
  • ২১ জানুয়ারি ২০২৬
৪ লক্ষাধিক মানুষের জন্য ৪ চিকিৎসক
  • ২১ জানুয়ারি ২০২৬
‘এটাই ক্রিকেট, নিদাহাস ট্রফির কথা মনে পড়ছে’, আবেগাপ্লুত কণ্…
  • ২১ জানুয়ারি ২০২৬
আবরার ফাহাদ হত্যার রায় এই সরকার কার্যকর করতে পারলো না: আবরা…
  • ২১ জানুয়ারি ২০২৬
X
UPTO
100%
MERIT BASED
SCHOLARSHIP
ADMISSION OPEN FOR
SPRING 2026
Application Deadline Wednesday, 21 January, 2026
Apply Now

Programs Offered

  • BBA
  • Economics
  • Agriculture
  • English
  • CSE
  • EEE
  • Civil
  • Mechanical
  • Tourism & Hospitality
01810030041-9