অনলাইনে তিন দফার আবেদন শেষে আজ থেকে শুরু হয়েছে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি কার্যক্রম। অনলাইনে আবেদন করে শিক্ষার্থীরা যেসব কলেজ ও মাদ্রাসা পেয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠানে হাজির হয়ে টাকা জমা দিবে। চলবে ৩০ জুন পর্যন্ত। ১ জুলাই থেকে ক্লাস শুরু হবে।
জানা গেছে, অন্যান্য বছরের মতো এবারও তিন দফায় অনলাইনে ভর্তির আবেদন জন্য আবেদন নেয়া হয়েছে। সর্বশেষ তৃতীয় পর্যায়ের আবেদনের ফল প্রকাশ হয় সোমবার মধ্যরাতে। এ ধাপে লক্ষাধিক শিক্ষার্থী নতুন করে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে।
এরপরও এবার এসএসসি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে সাড়ে ৩ লাখের বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রমের অধীনে আসেনি। এজন্য চতুর্থ দফায় আবেদনের সুযোগ দেয়ার চিন্তাভাবনা চলছে। তবে কোনো সময় উল্লেখ করা হয়নি। চলতি বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১৫ লাখ ৭৬ হাজার ১০৪ শিক্ষার্থী পাস করেছে।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ড সূত্র জানায়, এদের মধ্যে ১২ লাখ ৬৬ হাজার ৩৬১ আবেদন করেছে। প্রথম দু’দফায় ১১ লাখ ২৩ হাজার ৩ জন ভর্তি হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তৃতীয় ধাপে নতুন করে আরও ১ লাখ ৫ হাজার ১২ শিক্ষার্থী মনোনীত হয়েছে। নির্বাচিতদের এসএমএস পাঠানো হয়েছে। তৃতীয় তালিকায় ঠাঁই পাওয়া শিক্ষার্থীরা মঙ্গলবারই ভর্তি নিশ্চায়ন করেছে।
এদিকে, আবেদন করেও এখনও কোনো কলেজে ভর্তির জন্য মনোনীত হয়নি ২৯ হাজার ৬৭৭ জন শিক্ষার্থী। আবেদন করে ভর্তির সুযোগ না পাওয়া শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের অনেককে মঙ্গলবার সকাল থেকেই দূর-দূরান্ত থেকে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে ভিড় করতে দেখা গেছে। তাদের অনেককে এ সময় কান্নাকাটি করতে দেখা যায়।
এ বিষয়ে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক হারুন অর রশিদ বলেন, অনেকে ভর্তির সুযোগ না পেয়ে বোর্ডে ভিড় জমাচ্ছে। তাদের মধ্যে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীও আছে। দুই কারণে এমনটি হয়েছে। অনেকে আসন খালি না থাকার পরও আবেদনে কলেজ পছন্দ দিয়েছে। আবার নিজের মেধা অনুযায়ী আবেদনকৃত কলেজ অনেকে পায়নি। তারা আবেদনের সময় এদিক খেয়াল করেনি।