এসএসসি পরীক্ষার্থী © সংগৃহীত
মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামী ২৭ থেকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে প্রকাশ করা হতে পারে। ইতিমধ্যে ফলাফল তৈরীর কাজ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান।
ফলাফল প্রকাশের তারিখ জানিয়ে নভেম্বরের শুরুতে একটি প্রস্তাব আন্তঃশিক্ষা সমন্বয়কারী বোর্ড থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। মন্ত্রণালয় থেকে এ প্রস্তাব যাবে প্রধানমন্ত্রীর কাছে। প্রধানমন্ত্রী যেদিন সম্মতি দেবেন সেদিনই ফল প্রকাশ করা হবে।
বর্তমানে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের প্রস্তুতি চলছে। সূত্র জানিয়েছে, অনেক পরীক্ষক এরই মধ্যে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করে শিক্ষা বোর্ডে পাঠাতে শুরু করেছেন। কোথাও আবার শেষ ধাপে মূল্যায়ন যাচাই করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: খাতা লেখাতেই সীমাবদ্ধ মাধ্যমিকের ব্যবহারিক শিক্ষা
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ডের সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বলেন, পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করা হয়। ফলাফল প্রকাশের জন্য ২৭ থেকে ৩০ নভেম্বর অথবা ১ ডিসেম্বর সম্ভাব্য সময় উল্লেখ করে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হবে। মন্ত্রণালয় থেকে এ প্রস্তাব যাবে প্রধানমন্ত্রীর কাছে। প্রধানমন্ত্রী যেদিন সম্মতি দেবেন সেদিনই ফল প্রকাশ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, এসএসসির উত্তরপত্র মূল্যায়নের কাজ চলছে। নভেম্বরের মাঝামাঝি তা শেষ হবে।
এর আগে গত ১৫ সেপ্টেম্বর সারাদেশে একযোগে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়। ১ অক্টোবর উচ্চতর গণিত (তত্ত্বীয়) পরীক্ষার মাধ্যমে এসএসসি পরীক্ষা শেষ হয়। ১০ থেকে ১৫ অক্টোবরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয় ব্যবহারিক পরীক্ষা।
এ বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষাবোর্ড, মাদরাসা এবং কারিগরি শিক্ষাবোর্ডসহ ১১টি শিক্ষাবোর্ডের আওতায় মোট ২০ লাখ ২১ হাজার ৮৬৮ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। এরমধ্যে শুধু সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর অধীন পরীক্ষার্থী ছিল ১৫ লাখ ৯৯ হাজার ৭১১ জন। সারাদেশে ৩ হাজার ৭৯০টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন ২৯ হাজার ৫৯১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার্থীরা।
প্রতি বছর সাধারণত ফেব্রুয়ারি মাসে এসএসসি পরীক্ষা হয়। কিন্তু এ বছর প্রথমে করোনার কারণে এবং পরে সিলেটসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির কারণে পরীক্ষা পেছানো হয়।