© টিডিসি ফটো
স্বাস্থ্যবিধি মেনে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা নেয়া সম্ভব। করোনা পরিস্থিতি কতদিন থাকবে আর কবেই বা শতভাগ শিক্ষার্থীকে সরকারের পক্ষে স্মার্ট ফোন কিনে দেয়া সম্ভব হবে-সেই অপেক্ষায় না থেকে খুব দ্রুত সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্তে আসা উচিত।
আজ শনিবার (১৪ নভেম্বর) বিকেলে ‘করোনাকালীন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা বিষয়ে করনীয়’ শীর্ষক এক ভার্চুয়াল সেমিনারে এসব কথা বলেন শিক্ষাবিদরা।
বাংলাদেশ এগ্রিবিজনেস সোসাইটি ও আগামীর বাংলাদেশ আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে যুক্ত ছিলেন সাবেক শিক্ষা সচিব নজরুল ইসলাম খান, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য প্রফেসর ড. মোঃ সাজ্জাদ হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সাদেকা হালিম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) লোকপ্রশাসন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. জেবুন্নছা জেবা, প্রফেসর ড. মোঃ মোজাহার আলী, প্রফেসর মোস্তফা আজাদ কামাল, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আজীম, প্রফেসর ড. নজরুল ইসলাম, প্রফেসর ড. মোঃ নজরুল ইসলাম, প্রফেসর ড. মোঃ মিজানুর রহমান সরকার প্রমুখ।
ভার্চুয়াল সেমিনারে বক্তারা স্বাস্থ্যবিধি মেনে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা নেয়া সম্ভব বলে মনে করেন। সেমিনারে সাবেক শিক্ষা সচিব নজরুল ইসলাম খান বলেন, বর্তমানে আমরা সবকিছু করতে পারছি, কিন্তু পড়াশোনা বা পরীক্ষা নেয়াটা কেন করতে পারছি না? আমি সারাদেশে ঘুরছি, সেখানে কোথাও স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। শুধুমাত্র দুয়েকজনের মুখে মাস্ক রয়েছে। তাই স্বাস্থ্যবিধি মোতাবেক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সরাসরি ও অনলাইনে সেমিস্টার ফাইনাল নেয়া সম্ভব।
ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মোঃ সাজ্জাদ হোসেন করোনাকালীন সময়ে ইউজিসি ভূমিকা উল্লেখ করেন এবং স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সেমিস্টার ফাইনাল বিষয়ে চিন্তা-ভাবনা করা প্রয়োজন।
ঢাবির সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সাদেকা হালীম বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি পরীক্ষার পাশাপাশি সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা নিয়ে কর্তৃপক্ষের নিয়ে চিন্তা করা উচিত।
জাবির লোকপ্রশাসন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. জেবুন্নছা জেবা বলেন, সদিচ্ছা, জবাবদিহিতা ও আন্তরিকতা থাকলে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে বিইউপি করোনাকালীন সময়ে অনলাইন ক্লাস ও সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষার জন্য অনন্য উদাহরণ বলে মনে করেন।