রাষ্ট্রবিরোধী অপতৎপরতায় লিপ্ত থাকার অভিযোগে ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিরুদ্ধে ​তদন্ত কমিটি

০৫ আগস্ট ২০২৬, ০৭:১৫ PM
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো © সংগৃহীত

রাষ্ট্রবিরোধী অপতৎপরতায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৪ জন শিক্ষকের লিপ্ত থাকার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অবস্থান জানানো হয়েছে। এছাড়াও সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৪ জন শিক্ষক রাষ্ট্রবিরোধী গোপন কার্যকলাপে জড়িত থাকার প্রতিবেদন সম্পর্কে তদন্তপূর্বক রিপোর্ট প্রদানের জন্য একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে। 

বুধবার (৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিয়ন্ত্রিত ফেসবুকে পেজে ইবি উপাচার্যের আদেশক্রমে তথ্য, প্রকাশনা ও জনসংযোগ অফিসের উপ-পরিচালক মো. রাজিবুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রশাসনের অবস্থান জানানো হয়। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে তদন্ত কমিটি গঠনের ব্যাপারে জানানো হয়। 

প্রশাসনের ব্যাখ্যায় বলা হয়, ​সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ একটি রাজনৈতিক দলকে সক্রিয় করার লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অপতৎপরতা সংক্রান্ত সংবাদ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। ​ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গভীর উদ্বেগের সঙ্গে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড দেশের প্রচলিত আইন, বিচারিক প্রক্রিয়া এবং সুস্পষ্টভাবে রাষ্ট্রবিরোধী অপতপরতার শামিল। এ জাতীয় অপতৎপরতার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় তথা দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি, জনমনে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে দেওয়া এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও সাংবিধানিক ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

এতে আরও বলা হয়, ​ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সবসময় মুক্তবুদ্ধির চর্চা, আইনের শাসন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং সাংবিধানিক কাঠামোর প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তবে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার আড়ালে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী রাষ্ট্রবিরোধী, আইনবিরোধী কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়সহ গোটা দেশকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হলে তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা, নৈতিক অবস্থান এবং পেশাগত দায়িত্বশীলতার সম্পূর্ণ পরিপন্থি।

​প্রশাসনের গঠিত তদন্ত কমিটির আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন এবং সচিব হিসেবে রয়েছেন অর্থ ও হিসাব বিভাগের উপ-হিসাব পরিচালক মো. ইসরাফুল হক। এছাড়া কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হচ্ছেন আল-হাদীস এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান, আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম এবং ইবির প্যানেল আইনজীবী ড. মো. সাজ্জাত হোসেন। 

গঠিত কমিটিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে অনুসন্ধান সম্পন্ন করে আগামী ১২ আগস্টের মধ্যে সুপারিশসহ পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

​তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্ভিস রুলস ও দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। ​ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পুনরায় স্পষ্টভাবে ঘোষণা করছে যে, রাষ্ট্র ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন- শৃঙ্খলা লঙ্ঘনকারী কোনো ব্যক্তি, তাঁর পরিচয় বা অবস্থান নির্বিশেষে, ছাড় পাবেন না। ​বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে সর্বাবস্থায় দায়িত্বশীল আচরণ প্রদর্শন, আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা এবং ক্যাম্পাসের একাডেমিক পরিবেশ, শান্তি ও স্থিতিশীলতা সমুন্নত রাখতে সচেষ্ট থাকার আহ্বান জানাচ্ছে।

সংবিধান সংশোধন কমিটির নামের প্রহসন মানি না: ছাত্রশক্তি
  • ০৩ নভেম্বর ২০২৬
পুনর্নিরীক্ষণের ফলের অপেক্ষায় থাকা শিক্ষার্থীরা ঢাবিতে আবেদ…
  • ০৩ নভেম্বর ২০২৬
জামায়াতের কেন্দ্রীয় কমিটিতে নারী না থাকা আরপিওর লঙ্ঘন: টিআই…
  • ০৩ নভেম্বর ২০২৬
ঢাবি অধ্যাপক এ বি এম শাহাদাতের সঙ্গে আমার কোনো ‘বৈবাহিক সম্…
  • ০৩ নভেম্বর ২০২৬
ইসরায়েলকে দেওয়া ৪ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন সহায়তা বন্ধের ঘোষণা…
  • ০৩ নভেম্বর ২০২৬
এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ
  • ০৩ নভেম্বর ২০২৬
×
NORTH SOUTH
UNIVERSITY Center of Excellence
UNDERGRADUATE
ADMISSION
SPRING 2027
APPLY NOW
APPLICATION DEADLINE
NOVEMBER 22, 2026
ADMISSION TEST
NOVEMBER 28, 2026
WORLD RANKINGS 2027#801-1000
WORLD RANKINGS 2027#901-950