আইন অনুষদের মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষার দাবিতে ইবি শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি 

০১ মার্চ ২০২৫, ০৫:৫৮ PM , আপডেট: ০৭ জুলাই ২০২৫, ০৪:১৭ PM
আইন অনুষদের মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষার দাবিতে কর্মসূচি

আইন অনুষদের মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষার দাবিতে কর্মসূচি © ফাইল ফটো

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদভুক্ত আল ফিকহ্ এন্ড লিগ্যাল স্টাডিজ বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা ধর্মতত্ত্ব অনুষদের মাধ্যমে নেয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করেন শিক্ষার্থীরা। আইন অনুষদের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করানোর দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে তারা। 

আজ শনিবার (১ মার্চ) দুপুর দেড়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের নিচে এই অবস্থান কর্মসূচি পালন করে তারা। এসময় বিভাগের বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের আল ফিকহ্ এন্ড লিগ্যাল স্টাডিজ বিভাগ দীর্ঘদিন ধরেই গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে আইন অনুষদের অন্তর্ভুক্ত বিভাগ হিসেবে শিক্ষার্থী ভর্তি করিয়ে আসছিলো। সম্প্রতি শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা না করেই রোজার ছুটি হওয়ার আগে শেষ কর্মদিবসে বিভাগের শিক্ষকরা মিটিং করে ধর্মতত্ত্ব অনুষদের মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

বিষয়টি প্রকাশ্যে আসলে আজ সকালে শিক্ষার্থীরা বিভাগীয় সভাপতির সাথে দেখা করে সিদ্ধান্তটি বাতিলের দাবি জানায়। কিন্তু বিভাগ থেকে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হবে না বলে জানালে, শিক্ষার্থীরা প্রশাসন ভবনের সামনে এসে অবস্থান কর্মসূচি আরম্ভ করে। 

শিক্ষার্থীরা জানান, দীর্ঘদিন যাবত বিভাগের নাম পরিবর্তন এবং সিলেবাস পরিমার্জন করার দাবি জানালেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি বিভাগের শিক্ষকরা। ইউজিসির নির্দেশনা অনুযায়ী তাদের ৩৪০০ নম্বরের আইন কোর্স পড়ানোর কথা থাকলেও আল ফিকহ বিভাগে পড়ানো হয় ২২০০ নম্বরের কোর্স। ১৩৬ ক্রেডিট পড়ানোর কথা থাকলেও তা পড়ানো হয় না। এছাড়া তীব্র সেশনজটে ভুগছেন শিক্ষার্থীরা। এসব সমস্যা নিয়ে বারবার বিভাগে দাবি জানানো হলেও কোন উন্নতি হয়নি।

শিক্ষার্থীরা আরো জানান, বার কাউন্সিল চাইলে যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজের যেখানেই আইন পড়ানো হয় তার মান তদারকি করতে পারে। তাই ইবির আল ফিকহ এন্ড লিগ্যাল স্টাডিজ বিভাগ ধর্মতত্ত্ব অনুষদভুক্ত করা হলে, বার কাউন্সিল চাইলে কোর্টে সনদ গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এজন্য আমরা ধর্মতত্ত্ব অনুষদের মাধ্যমে ভর্তি পদ্ধতির বিরুদ্ধে। ‘আমরা চাই বিগত বছরের মতো গুচ্ছের মাধ্যমে এই বিভাগের ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হোক এবং সিলেবাস সংস্কার করে এলএলবি ডিগ্রির উপযোগী সিলেবাস প্রণয়ন করা হোক।’ 

কর্মসূচির এক পর্যায়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান এবং ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম। তারা শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে দাবি-দাওয়া শুনে শুরুতেই প্রশাসনের কাছে না এসে, বিভাগে সমাধানের পরামর্শ দেন। 

কিন্তু শিক্ষার্থীরা বিভাগ থেকে সহযোগিতা করা হবে না বলে জানানো হয়েছে উল্লেখ করে প্রশাসনের সাথে সাক্ষাতের আবেদন করে। পরবর্তীতে উপাচার্যের অনুপস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলমের সাথে সাক্ষাৎ করে শিক্ষার্থীরা। এসময় শিক্ষার্থীদের বক্তব্য শুনে ট্রেজারার তাদের আগামীকাল ছাত্র উপদেষ্টার মাধ্যমে উপাচার্য বরাবর একটি লিখিত আবেদন দিতে বলেন এবং উপাচার্য আসলে তার সাথে সরাসরি আলোচনা করার পরামর্শ দেন। 

‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বাতাস নিয়ে দূষণে দ্বিতীয় ঢাকা
  • ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ন্যায় ও ইনসাফের সমাজ প্রতিষ্ঠায় ছাত্রশক্তির লড়াই আরও বেগ…
  • ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
এক স্কুলের ৯৭ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৯৫ জনের বৃত্তি লাভ
  • ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সারা দেশে আজ যেমন থাকবে আবহাওয়া
  • ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দেবরের আত্মহত্যার একদিন পর ফাঁস নিলেন ভাবীও
  • ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর পদে ‘রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ’ নিয়…
  • ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬