উপাচার্য ছাড়াই চলছে ৩৯ বেসরকারি বিশ্বদ্যালয়

০৩ জুলাই ২০২৬, ০৯:১০ PM , আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৬, ১০:০০ PM
উপাচার্য ছাড়াই চলছে ৩৯ বেসরকারি বিশ্বদ্যালয়

উপাচার্য ছাড়াই চলছে ৩৯ বেসরকারি বিশ্বদ্যালয় © সংগৃহীত ও সম্পাদিত

দেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শীর্ষ প্রশাসনিক কাঠামো দীর্ঘদিন ধরে সংকটে রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্যে দেখা গেছে, দেশে অনুমোদিত ১১৬টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৩৯টিতে কোনো উপাচার্য (ভিসি) নেই এবং ৯৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপ-উপাচার্য বা প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রো-ভিসি) পদ শূন্য রয়েছে। এছাড়া ৪৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ে নেই কোষাধ্যক্ষ বা ট্রেজারার। গুরুত্বপূর্ণ এই শীর্ষ পদগুলো বছরের পর বছর খালি থাকায় অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনিক স্থবিরতা, সিদ্ধান্ত গ্রহণে জটিলতা এবং একাডেমিক কার্যক্রমে দুর্বলতা তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

ইউজিসির পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, কিছু বিশ্ববিদ্যালয় বছরের পর বছর ভারপ্রাপ্ত প্রশাসনের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। কোথাও উপাচার্য নিয়োগের অনুমোদন পাওয়া সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি দায়িত্ব গ্রহণ করেননি, আবার কোথাও প্রতিষ্ঠার পর থেকেই শীর্ষ পদগুলো খালি রাখা হয়েছে। ফলে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার স্বাভাবিক প্রশাসনিক কাঠামো কার্যত ভেঙে পড়ার মতো অবস্থায় পৌঁছেছে।

ইউজিসির তথ্যমতে, চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবাইস ইউনিভার্সিটি; দি ইউনিভার্সিটি অব কুমিল্লা; আমেরিকা বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি ও কুইন্স ইউনিভার্সিটি) শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এছাড়া অনুমোদন নিয়ে কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি এমন বিশ্ববিদ্যালয় আছে ৩টি, সেগুলো হলো, রূপায়ণ একেএম শামসুজ্জোহা বিশ্ববিদ্যালয়, শাহ মখদুম ম্যানেজমেন্ট ইউনিভার্সিটি, রাজশাহী, মাইক্রোল্যান্ড ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি।

ইউজিসির সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, উপাচার্য ছাড়াই চলছে এমন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে রয়েছে, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক, দি পিপল'স ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, সাউদার্ণ ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, রয়েল ইউনিভার্সিটি অব ঢাকা, অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন এন্ড টেকনোলজি, নর্থ ইস্ট বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ, ঈশা খাঁ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ, নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটি, খুলনা, ফারইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি।

রাজশাহী সাইন্স এন্ড টেকনোলজি ইউনিভার্সিটি, ব্রহ্মপুত্র ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, আর.পি. সাহা বিশ্ববিদ্যালয়, সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এণ্ড টেকনোলজি, সৈয়দপুর, বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি, কাদিরাবাদ, বাংলাদেশ আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি, কুমিল্লা, কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, নর্দান ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এন্ড টেকনোলজি, খুলনা, রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া, সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অবসায়েন্স এন্ড টেকনোলজি, রূপায়ন এ.কে, এম শামসুজ্জোহা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা খানবাহাদুর আহছানউল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব স্কিল এনরিচমেন্ট এন্ড টেকনোলজি।

মাইক্রোল্যান্ড ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, ডাঃ মমতাজ বেগম ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি, বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি অফ সাইন্স এন্ড টেকনোলজি, খুলনা, লালন বিজ্ঞান ও কলা বিশ্ববিদ্যালয়, জাস্টিস আবুজাফর সিদ্দিকী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়, ইবাইস ইউনিভার্সিটি, দি ইউনিভার্সিটি অব কুমিল্লা, কুইন্স ইউনিভার্সিটি, আমেরিকা বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি।

যেসব বিশ্ববিদ্যালয় দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্বশীল শীর্ষ কর্মকর্তা নিয়োগ দিতে ব্যর্থ হচ্ছে, তাদের সক্ষমতা ও পরিচালনাগত দক্ষতা পুনর্মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। প্রয়োজনে অনুমোদন নবায়ন প্রক্রিয়াও কঠোরভাবে বিবেচনা করা উচিত। - মো. শাহনেওয়াজ খান চন্দন , শিক্ষক, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০১০ অনুযায়ী, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের প্রস্তাবিত তিনটি নামের মধ্যে আচার্য ও রাষ্ট্রপতি একজনকে নিয়োগ দেন। উপাচার্য, সহ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ—এই তিনটি পদের বেলায় একই নিয়ম প্রযোজ্য। আইন অনুযায়ী, এই তিনটি শীর্ষ পদ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক, প্রশাসনিক ও আর্থিক ব্যবস্থাপনার মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে এবং এসব পদ শূন্য থাকলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও কার্যক্রমে জটিলতা তৈরি হতে পারে।

আইন অনুযায়ী উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী ও একাডেমিক নেতৃত্ব প্রদানকারী ব্যক্তি। তিনি একদিকে একাডেমিক মান নির্ধারণ, গবেষণার দিকনির্দেশনা এবং শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য দায়ী, অন্যদিকে বোর্ড অব ট্রাস্টিজ ও সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নেরও মূল দায়িত্ব তার ওপর থাকে। একইভাবে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা ও একাডেমিক সমন্বয় রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন, বিশেষ করে শিক্ষক নিয়োগ, পদোন্নতি এবং একাডেমিক কার্যক্রমের দৈনন্দিন তদারকিতে। ট্রেজারার পদটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক স্বচ্ছতার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। বাজেট প্রণয়ন, ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং আর্থিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার দায়িত্ব এই পদটির ওপর ন্যস্ত। ফলে এই তিনটি পদ শূন্য থাকলে শুধু প্রশাসন নয়, পুরো বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবস্থার ভারসাম্যই নষ্ট হয়ে যায়।

আইনে আরও বলা হয়েছে, উপাচার্য পদে নিয়োগের জন্য স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তত ১০ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতাসহ মোট ২০ বছরের একাডেমিক বা প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। প্রো-ভিসির ক্ষেত্রে অন্তত ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা এবং ট্রেজারারের ক্ষেত্রেও দীর্ঘ অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যাতে যোগ্য নেতৃত্ব নিশ্চিত করা যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এই সংকট একক কোনো কারণে নয়, বরং একাধিক কাঠামোগত সমস্যার সমন্বয়ে তৈরি হয়েছে। একটি বড় কারণ হলো নিয়োগ প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা। বোর্ড অব ট্রাস্টিজ প্রস্তাব পাঠালেও চূড়ান্ত অনুমোদন ও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সময় লাগে, ফলে অনেক সময় পদ দীর্ঘদিন শূন্য থাকে। কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ্য প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না—এমন যুক্তি দেখিয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়া বিলম্বিত করা হয়। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি অনেক ক্ষেত্রে বাস্তব সমস্যার চেয়ে প্রশাসনিক অনীহা হিসেবে বেশি কাজ করে।

এছাড়া, আর্থিক বিষয়টি একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর। অনেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় টিউশন ফি-নির্ভর হওয়ায় পূর্ণকালীন উপাচার্য বা প্রো-ভিসি নিয়োগে উচ্চ বেতন কাঠামো বহন করতে চায় না। ফলে কম খরচে ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান চালানোর প্রবণতা তৈরি হয়।

সবচেয়ে বিতর্কিত দিক হিসেবে উঠে এসেছে কিছু ক্ষেত্রে মালিকপক্ষের প্রভাব। অভিযোগ রয়েছে, আইন অনুযায়ী স্থায়ী নিয়োগ না দিয়ে নিজেদের পছন্দের ব্যক্তিকে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে রেখে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা হয়। এতে নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও একাডেমিক স্বাধীনতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়।

ইউজিসির সদস্য (বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়) মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। এই সমস্যাগুলো সমাধানে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করা হচ্ছে এবং ধারাবাহিকভাবে অগ্রগতি নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। - ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, ইউজিসির সদস্য

শিক্ষাবিদ ও নীতিনির্ধারকদের মতে, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুধুমাত্র ক্লাস নেওয়া বা পরীক্ষা পরিচালনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে যুক্ত থাকে গবেষণা, নীতি নির্ধারণ, শিক্ষক মূল্যায়ন, মান নিয়ন্ত্রণ এবং দীর্ঘমেয়াদি একাডেমিক পরিকল্পনা। কিন্তু উপাচার্য বা প্রো-ভিসির মতো শীর্ষ পদ দীর্ঘদিন শূন্য থাকলে এসব কার্যক্রমে একটি “নেতৃত্বহীনতা” তৈরি হয়। ফলে শিক্ষকরা অনেক ক্ষেত্রে জবাবদিহিতার বাইরে চলে যান, একাডেমিক সিদ্ধান্তগুলো ধীর হয়ে যায় এবং গবেষণা কার্যক্রমেও সমন্বয়ের ঘাটতি দেখা দেয়।

শিক্ষা অধিকার সংসদের সদস্য সচিব এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক মো. শাহনেওয়াজ খান চন্দন বলেছেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাইস-চ্যান্সেলর ও প্রো-ভাইস চ্যান্সেলরসহ শীর্ষ পদ দীর্ঘদিন শূন্য থাকলে তা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রমকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান দুটি কার্যক্রম—শিক্ষাদান (টিচিং) ও গবেষণা (রিসার্চ)—এই শীর্ষ প্রশাসনিক নেতৃত্বের অভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। পাশাপাশি ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স (আইকিউএসি) কার্যক্রম ও শিক্ষকদের পারফরম্যান্স মনিটরিংও কার্যকরভাবে পরিচালিত হয় না। এতে শিক্ষক নিয়োগ, পদোন্নতি এবং একাডেমিক মান নিয়ন্ত্রণে জবাবদিহিতার ঘাটতি তৈরি হয়।

তার মতে, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো মূলত টিউশন ফি ভিত্তিক শিক্ষাসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচালিত হলেও শীর্ষ প্রশাসনিক কাঠামো দুর্বল থাকায় অনেক ক্ষেত্রে সেই সেবার মান যথাযথভাবে নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একাডেমিক মান ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

ইউজিসি-কে আরও কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ট্রাস্টি বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করে কেন শীর্ষ পদগুলো পূরণ হচ্ছে না তা খতিয়ে দেখতে হবে এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করার জন্য বাধ্যতামূলক তদারকি নিশ্চিত করতে হবে। যেসব বিশ্ববিদ্যালয় দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্বশীল শীর্ষ কর্মকর্তা নিয়োগ দিতে ব্যর্থ হচ্ছে, তাদের সক্ষমতা ও পরিচালনাগত দক্ষতা পুনর্মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। প্রয়োজনে অনুমোদন নবায়ন প্রক্রিয়াও কঠোরভাবে বিবেচনা করা উচিত।

ইউজিসির সদস্য (বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়) ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। এই সমস্যাগুলো সমাধানে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করা হচ্ছে এবং ধারাবাহিকভাবে অগ্রগতি নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।

তিনি জানান, শূন্য পদ পূরণ ও প্রশাসনিক সমস্যার সমাধানে ইউজিসি সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে।

ডাকসুর উদ্যোগে ২ মাসব্যাপী আবৃত্তি, অভিনয় ও সঙ্গীত কর্মশালা…
  • ০৩ জুলাই ২০২৬
হোয়াটসঅ্যাপে কর্মকর্তাদের ব্যাংক-বিকাশের ওটিপি চাইলেন ‘নকল…
  • ০৩ জুলাই ২০২৬
গোবিপ্রবির হলের ডাইনিংয়ে পচা মাছ, সতর্ক করতে রবিবারের অপেক…
  • ০৩ জুলাই ২০২৬
মামার লাঠির আঘাতে আহত ভাগ্নের মৃত্যু
  • ০৩ জুলাই ২০২৬
ঝিনাইদহে পানের বরজে গাঁজা চাষ, কৃষক আটক
  • ০৩ জুলাই ২০২৬
বাতাসে উচ্চ আর্দ্রতায় স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে, মোকাবেলা করবেন …
  • ০৩ জুলাই ২০২৬
×
  • Application Deadline
  • JULY 26, 2026
  • Admission Test
  • AUGUST 01, 2026
APPLY
NOW!
UNDERGRADUATE ADMISSION
FALL 2026!
NORTH SOUTH UNIVERSITY
Center of Excellence