প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর © ফাইল ছবি
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও ১ হাজার ৪৭১ জন যোগদান করেননি। আর পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও ৮৩ জন প্রার্থী নিয়োগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। বুধবার (৭ অক্টোবর) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
যোগদান না করা প্রার্থীদের মধ্যে অনেকে নিয়োগপত্র পেয়েও নির্ধারিত সময়ে যোগ দেননি। অনেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেননি। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা, ২০২৫’-এ দুই ধাপে ১৪ হাজার ৩৮৫টি শূন্য পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগপ্রাপ্ত প্রার্থীদের যোগদান গত বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) শুরু হয়েছে। নিয়োগপত্রের শর্ত পূরণ করে প্রার্থীরা যোগদান করছেন।
সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫-এর ফলাফলের ভিত্তিতে ৬১ জেলায় ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছিল। গত ৮ ফেব্রুয়ারি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এ ফল প্রকাশ করা হয়। পরে যাচাই-বাছাই শেষে ২৪ সেপ্টেম্বর নিয়োগপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ করে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসগুলো।
তাদের ১ অক্টোবরের মধ্যে যোগদানের কথা বলা হয়। তবে সুপারিশ পাওয়ার পরও অনেকের নাম চূড়ান্ত নিয়োগের তালিকায় না থাকায় তৈরি হয় অনিশ্চয়তা। এর মধ্যে কেউ কেউ পরে নিয়োগপত্র পেয়েছেন। আবার অনেকেই নিয়োগপত্র পাননি।
ভিন্ন খবর: কারিগরির ২১৪০ প্রতিষ্ঠানে পদ শূন্য, বদলি আবেদন নিয়ে সুখবর পাচ্ছেন শিক্ষকরা
গত ২৪ সেপ্টেম্বর জেলাভিত্তিক নিয়োগের আদেশ জারি করে প্রার্থীদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে বলা হয়। কয়েক ধাপে দেওয়া ওই নির্দেশনার পর ১৩ হাজার ৮৩১ জন কাগজপত্র জমা দেন। বাকিদের মধ্যে ৫৫২ জন কোনো কাগজপত্র জমা দেননি। একজন প্রার্থী মারা গেছেন।
কাগজপত্র জমা দেওয়া প্রার্থীদের মধ্যে ১৩ হাজার ৭৪৮ জন নিয়োগপত্র পেয়েছেন। তবে সবাই চাকরিতে যোগ দেননি। ১২ হাজার ৮৩০ জন পদে যোগ দিলেও ৯১৮ জন কাজে যোগ দেননি।
সব মিলিয়ে কাগজপত্র জমা না দেওয়া ৫৫৩ এবং যোগ না দেওয়া ৯১৮ জনসহ ১ হাজার ৪৭১ জন সহকারী শিক্ষক পদে যোগ দেননি। কর্মকর্তারা বলছেন, তাদের কেউ অন্য চাকরিতে চলে গেছেন। আবার অনেকে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আগ্রহ দেখাননি। আর বিভিন্ন ধাপে ভেরিফিকেশনে বাদ পড়া প্রার্থীদের অনেকে নিয়োগপত্র পেলেও ৮৩ জন শেষ পর্যন্ত নিয়োগ পাননি।