এক বছরের মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট কাটবে, আশা ববি হাজ্জাজের © ফাইল ফটো
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট আগামী এক বছরের মধ্যে সমাধান হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেছেন, শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক না থাকার প্রধান দুই কারণ সর্বোচ্চ এক বছরের মধ্যে সমাধান করা হবে। ইতোমধ্যে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ এবং প্রধান শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ঢাকার মিরপুর-১-এ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ‘কমিউনিটি এনগেজমেন্ট ইন প্রাইমারি এডুকেশন’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় দেশি-বিদেশি ১৯টি এনজিওর প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উপস্থিতির প্রকৃত চিত্র পেতে শিক্ষার্থীদের হাজিরা তালিকার ছবি তুলে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর মতো দায়িত্ব আসতে পারে শিক্ষকদের। সেক্ষেত্রে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক স্বল্পতায় এই উদ্যোগ কভাবে সফল হবে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪,৩৮৪ জন প্রার্থী আগামী ১ অক্টোবর সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদান করবেন শিক্ষকেরা। সে বিষয়টি মনে করিয়ে ববি হাজ্জাজ বলেন, ইতিমধ্যে সাড়ে ১৪ হাজার নিয়োগ পেয়ে তারা ট্রেনিং এ চলে যাচ্ছে অক্টোবরের শুরুতে।
এদিকে প্রায় ৩২ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতির প্রক্রিয়া দীর্ঘ আইনি জটিলতা ও মামলাজটের কারণে দীর্ঘদিন আটকে থাকার পর চলতি বছরের জুলাই মাসে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে নিয়োগের পথ খুলেছে। এ বিষয়ে তিনি বলেন, প্রথমত, ৩২ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগও দেওয়া শুরু করবো । ফলে ওই সমস্যাও সমাধান হয়েছে। দ্বিতীয়ত, শিক্ষক ট্রান্সফারের যে প্রবলেম এটা শিক্ষকদের নতুন নীতিমালার উপরে ডিপিই এই মুহূর্তে কাজ করছে। আমরা আশাবাদী হয়তো এক মাস দু মাস ভেতরে এটারও একটা সমাধানে আসতে সক্ষম হবো।
তিনি আরও বলেন, যে দুটো কারণে টিচার ক্লাসরুমে মিসিং ওই দুটো কারণ খুব সর্বোচ্চ ১ এক বছরের মধ্যে সমাধান হবে। তাহলে টিচার নাই এই প্রবলেমটা আর থাকে না।