উচ্চকক্ষে কোন দল কত আসন পাবে

১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:১০ PM
 সংসদ ভবন

সংসদ ভবন © টিডিসি ফটো

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ২৯০ আসনে প্রার্থী দিয়ে বিএনপি এককভাবে ৪৯.৯৭ শতাংশ ভোট পেয়েছে, যেখানে বিএনপি জোটের মোট ভোট ৫১.১ শতাংশ। অন্যদিকে ২২৭ আসনে প্রার্থী দিয়ে জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৩১.৭৬ শতাংশ ভোট এবং তাদের নেতৃত্বাধীন জোটের ভোট দাঁড়িয়েছে ৩৮.৫ শতাংশে।

নির্বাচনের পাশাপাশি অনুষ্ঠিত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের গণভোটে ৬৮ শতাংশ ভোটার ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ায় এখন ভোটের অনুপাতে সংসদের উচ্চকক্ষ গঠন করা বাধ্যতামূলক হয়ে পড়েছে। তবে বিএনপি তাদের নোট অব ডিসেন্ট অনুযায়ী ভোটের অনুপাতের পরিবর্তে আসনের অনুপাতে উচ্চকক্ষ গঠনের পক্ষপাতি। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান গত শনিবারও এই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

নির্বাচনের হিসাব অনুযায়ী বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সম্মিলিত ভোট ৮৯.৫৭ শতাংশ এবং বাকি ১০.৪৩ শতাংশ ভোটের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছেন ৫.৭৯ শতাংশ। সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, উচ্চকক্ষে প্রতিনিধিত্ব পেতে রাজনৈতিক দলকে অন্তত ১ শতাংশ ভোট পেতে হবে। স্বতন্ত্র ও বাকিদের ভোট বাদ দিয়ে হিসাব করলে বিএনপি উচ্চকক্ষে ৫৬টি আসন, জামায়াত ৩৬টি, এনসিপি ৩টি, ইসলামী আন্দোলন ৩টি এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২টি আসন পেতে পারে।

বর্তমানে সংরক্ষিত আসন বণ্টনের নিয়ম অনুযায়ী যে দলের প্রাপ্ত আসনের ভগ্নাংশ বড় হয়, তারা পূর্ণ আসন পায়। বিএনপি যদি সংসদের আসনের অনুপাতে উচ্চকক্ষ গঠনের সিদ্ধান্তে অটল থাকে, তবে প্রতি তিনটি আসনের জন্য দলগুলো উচ্চকক্ষে একটি আসন পাবে। সেক্ষেত্রে তিনের কম আসন পাওয়ায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, ইসলামী আন্দোলন, গণঅধিকার পরিষদ, গণসংহতি আন্দোলন ও বিজেপির মতো দলগুলো উচ্চকক্ষে কোনো প্রতিনিধিত্ব পাবে না।

জুলাই সনদের ৪৮টি সংস্কার প্রস্তাবের মধ্যে ৩০টিতে ঐকমত্য থাকায় এবং গণভোটের প্রথম দুই ভাগের ৮টি সংস্কার বাধ্যতামূলক হওয়ায় মোট ৩৮টি প্রস্তাব বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি। তবে বিএনপি ও অন্যান্য দলের ভিন্নমত থাকা বাকি ১০টি সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়ন বাধ্যতামূলক নয়। এই জটিলতা নিয়ে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ সমকালকে বলেন, "এই প্রশ্নই তো আসে না। জুলাই সনদে নানা বিষয়ে নানা দলের নোট অব ডিসেন্ট থাকার কারণেই তো গণভোট হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলো যদি একমত থাকত, তাহলে তো গণভোটের প্রয়োজন হতো না। গণভোটে ৬৮ শতাংশ ভোট দিয়ে প্রথম আটটি সংস্কার প্রস্তাবে থাকা বিভিন্ন দলের নোট অব ডিসেন্টকে প্রত্যাখ্যান করেছে।"

সাবেক ঐকমত্য কমিশনের সদস্য ড. বদিউল আলম মজুমদার বিষয়টির ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, "গণভোটের ব্যালটে বলা হয়েছে, প্রথম দুই ভাগের ৮টি এবং তৃতীয় ভাগের ৩০টি সংস্কার প্রস্তাব বাধ্যতামূলক। বাকি ১০টি সংস্কার প্রস্তাব দলগুলোর নোট অব ডিসেন্ট অনুযায়ী বাস্তবায়ন করা বা না করা যাবে। গণভোটে হ্যাঁ জয়ী হওয়ায় তাই ৩৮টি সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নের রাজনৈতিক ও নৈতিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। আর নির্বাচনের যে ফলাফল হয়েছে, তাতে জুলাই সনদ মেনেও বিএনপি উচ্চকক্ষে সংবিধান শোধনের মতো সংখ্যারিগষ্ঠতা পাবে।"

সম্পর্কের বিচ্ছেদ, ছাত্রী হোস্টেলের সামনে প্রেমিকের বিষপান
  • ১১ মে ২০২৬
অব্যবহৃত ৬ শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • ১১ মে ২০২৬
মা দিবসে ছেলের হাতে মা খুন
  • ১০ মে ২০২৬
দিনাজপুরে ভুল প্রশ্নপত্রে এসএসসি পরীক্ষা, কেন্দ্র সচিব-ট্যা…
  • ১০ মে ২০২৬
বাংলাদেশ ছাত্রকল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে জাতীয় সেমিনার ও শিক্…
  • ১০ মে ২০২৬
আইইউবিএটির প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ড. এম আলিমউল্যা মিয়ানের ৯ম ম…
  • ১০ মে ২০২৬
X
UPTO
100%
MERIT BASED
SCHOLARSHIP
ADMISSION OPEN FOR
SUMMER 2026
Application Deadline Wednesday, May 13, 2026
Apply Now

Programs Offered

  • BBA
  • Economics
  • Agriculture
  • English
  • CSE
  • EEE
  • Civil
  • Mechanical
  • Tourism & Hospitality
01810030041-9