সীমান্ত জনপদে দুই অপরাজিতের লড়াই

আরিফুল হক চৌধুরী ও জয়নাল আবেদীন

আরিফুল হক চৌধুরী ও জয়নাল আবেদীন © টিডিসি সম্পাদিত

বিগত আওয়ামিলীগ সরকার নিয়ন্ত্রিত নির্বাচনে একাধিকবার অংশ নিয়ে একবারও হারতে হয়নি তাদের। বৈরী পরিবেশেও ভোট যুদ্ধে অপরাজিত থেকেই মাঠ ছেড়েছেন তারা। ভোটের মাঠে বিএনপি-জামায়াতের এই দুই ‘নট আউট’ রাজনীতিবিদ হচ্ছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ও জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন। হার না মানা এই দুই হেভিওয়েট প্রার্থী এবার নিজেদের মধ্যে লড়াইয়ে অবতীর্ণ হতে যাচ্ছেন।

ভোটের রাজনীতিতে বিএনপি নেতা আরিফুল হক চৌধুরী একটি প্রভাবশালী নাম। ২০০৩ সালে অনুষ্ঠিত সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচনে তিনি কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হন। পরবর্তীতে ২০১৩ সালের সিসিক নির্বাচনে আওয়ামিলীগের প্রভাবশালী প্রার্থী সাবেক মেয়র বদরউদ্দিন আহমদ কামরানকে হারিয়ে তিনি চমক সৃষ্টি করেন। এরপর ২০১৮ সালে আবারও কামরান, দলীয় বিদ্রোহী প্রার্থী এবং জামায়াতের প্রার্থীর সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ফের মেয়র নির্বাচিত হন। ২০২৩ সালে তৃতীয়বার মেয়র পদে লড়তে গিয়ে দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতি আনুগত্য দেখিয়ে নির্বাচন বর্জন করেন তিনি।

অপরদিকে, জামায়াত নেতা জয়নাল আবেদীন নিজ নির্বাচনী এলাকায় ভোটের মাঠের এক জনপ্রিয় নাম। ২০০৯ সালে অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামিলীগের তৎকালীন সভাপতি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হন। এরপর ২০১৪ সালে আবারও মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ এবং আওয়ামিলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী উপজেলা আওয়ামিলীগের বর্তমান সভাপতি কামাল আহমদের সাথে লড়াই করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান তিনি।

ভোটের মাঠে তুমুল জনপ্রিয় এই দুই অপরাজিত প্রার্থী এবার আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সীমান্ত জনপদ জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সিলেট-৪ এ একে অপরের মুখোমুখি হচ্ছেন। প্রায় পাঁচ লক্ষ ভোটারের এ আসনে ইতোমধ্যে দুই প্রার্থীই নিজেদের প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন সমানতালে। ভোট যুদ্ধে প্রভাবশালী এই দুই প্রার্থীকে ঘিরে স্থানীয় জনপদে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। 'নট আউট' তালিকা থেকে শেষ পর্যন্ত কে বাদ পড়তে যাচ্ছেন এমন কৌতুহল ছড়িয়ে পড়েছে জনমনে। 

সিলেট-৪ আসনের ভোটার অনলাইন এক্টিভিস্ট মোহাম্মদ শাহীন আহমদ জানান, ‘জয়নাল ভাই দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে এলাকায় নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। 'স্থানীয় প্রার্থী' সংকটে ভুগা এই অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘ ৫৪ বছরের আক্ষেপ ঘুচাতে জয়নাল ভাই ই ভোটারদের প্রথম পছন্দ।" তাজুল ইসলাম নামে একজন চাকুরীজীবি জানান, "আরিফ ভাই ভোটের রাজনীতির ম্যাজিক ম্যান। জাতীয় নির্বাচনে স্থানীয়, বহিরাগত কোন বিষয় নয়। এখানে উন্নয়নই মুল লক্ষ্য, আর উন্নয়নে আরিফ ভাইয়ের বিকল্প নেই।’

পক্ষ-বিপক্ষ, মত-দ্বিমত আর উৎসাহ উদ্দীপনায় জমজমাট হয়ে উঠেছে সিলেট-৪  আসনের নির্বাচনী পরিবেশ। ভোটাররা মনে করছেন, এই দুই প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। তবে শেষ পর্যন্ত কে অপরাজিত থাকছেন তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে ১২ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত।

সদরঘাট ট্র্যাজেডি: দুই দিন পর মিরাজের লাশ উদ্ধার
  • ২০ মার্চ ২০২৬
বিদেশে প্রথমবারের ঈদ, স্মৃতি আর চোখের জলে ভরা মুহূর্ত
  • ২০ মার্চ ২০২৬
কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ বছরে বিনামূল্যে ১০৭…
  • ২০ মার্চ ২০২৬
'প্রত্যেকবার আমার জন্য বিপদে পড়তে হয়েছে এই মানুষটার'
  • ২০ মার্চ ২০২৬
শ্রমিকবান্ধব প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা: বেতন-বোনাসে স্বস্তির…
  • ২০ মার্চ ২০২৬
দেশবাসীকে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্…
  • ২০ মার্চ ২০২৬
×
  • Application Deadline
  • April 1, 2026
  • Admission Test
  • April 4, 2026
APPLY
NOW!
UNDERGRADUATE ADMISSION
SUMMER 2026!
NORTH SOUTH UNIVERSITY
Center of Excellence