জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মনোনোয়ন যাচাই-বাছাই কার্যক্রম © সংগৃহীত
সাতক্ষীরার চারটি সংসদীয় আসনে ২৯ প্রার্থীর মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শেষে ১০ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। একইসঙ্গে ১৯ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শেষে এ ঘোষণা দেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আফরোজা আখতার।
যাচাই-বাছাইয়ে সাতক্ষীরা-১ আসনে ভোটার স্বাক্ষরে ত্রুটির কারণে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও আওয়ামী লীগ নেতা এসএম মুজিবুর রহমান ওরফে সরদার মুজিবের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। তবে সকালে স্থগিত থাকা বিএনপির প্রার্থী হাবিবুল ইসলাম হাবিবের মনোনয়ন বিকেলে উচ্চ আদালতের খালাসসংক্রান্ত কাগজপত্র সঠিক পাওয়ায় বৈধ ঘোষণা করা হয়।
সাতক্ষীরা-২ আসনে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক স্বীকৃত জাতীয় পার্টির মহাসচিব স্বাক্ষরিত দলীয় মনোনয়নপত্রের কপি না থাকায় শেখ মাতলুব হোসেনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
সাতক্ষীরা-৩ আসনে এক শতাংশ ভোটার স্বাক্ষরিত পত্রে ত্রুটির কারণে বিএনপির বিদ্রোহী ও কেন্দ্রীয় সদস্য ডা. শহিদুল আলম, আসলাম আল মেহেদী এবং মো. আসাফউদ্দৌলা খানের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। এছাড়া হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকায় ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের প্রার্থী ওয়েজ কুরুনীর মনোনয়নও বাতিল করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা-৪ আসনে ভোটার স্বাক্ষরে ত্রুটির কারণে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী ও শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. আব্দুল ওয়াহেদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। একই আসনে বৈধ দলীয় মনোনয়নপত্র না থাকায় জাতীয় পার্টির হুসেইন মো. মায়াজ, ঋণখেলাপি হওয়ায় তাঁর পিতা গণঅধিকার পরিষদের এইচ এম গোলাম রেজা এবং বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকায় জাতীয় পার্টির মো. আব্দুর রশিদের মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আফরোজা আখতার জানান, সাতক্ষীরার চারটি সংসদীয় আসনে মোট ২৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। এর মধ্যে ১০ জনের মনোনয়ন বাতিল এবং বাকি ১৯ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বাতিল হওয়া প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন।
তিনি আরও জানান, এক শতাংশ ভোটার স্বাক্ষরিত পত্রে ত্রুটি, স্বাক্ষর না থাকা, বৈধ দলীয় মনোনয়নপত্রের কপি না থাকা, ঋণ ও বিদ্যুৎ বিল বকেয়াসহ নানা কারণে এসব প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।