আ ন ম আহসানুল হক মিলন © ফাইল ফটো।
গ্রেপ্তার কিংবা গুম হওয়ার আশংকায় আন্তগোপন করেছেন বিগত জোট সরকারের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।সাদাপোশাকের পুলিশ এবং সরকারদলীয় নেতা-কর্মীরা তাঁকে সার্বক্ষনিক অনুসরণ করছেন এমতবস্থায় তাকে যেকোন সময় গ্রেপ্তার করে গুম কিংবা হত্যা করা হতে পারে এমন দাবি পরিবারের। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে এহছানুল হক মিলনের স্ত্রী নাজমুন্নাহার বেবি রবিবার নির্বাচন কমিশনকে একটি চিঠিও দিয়েছেন। সাবেক সাংসদ মিলন বিএনপির কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক, আসন্ন সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন তিনি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০০৮ সাল থেকে গত ১০ বছরে মিলনসহ কচুয়া উপজেলা বিএনপির ৫ শতাধিক নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে ২৬টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে ৩টি মামলায় মিলন দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন। জামিন পেয়ে তিনি যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও মালয়েশিয়ায় প্রায় ৫ বছর কাটিয়ে সম্প্রতি দেশে ফেরেন। তার বিরুদ্ধে করা অন্যান্য মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। দেশে ফিরার পর এসব মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করতে চাইলেও সেই সুযোগ পাচ্ছেন না মিলন। আদালতে হাজির হওয়ার আগেই তাঁকে গুম বা হত্যা করা হতে পারে এমন আশংকায় পালিয়ে বেড়াচ্ছেন তিনি।
মিলনের স্ত্রী নাজমুন্নাহার বলেন, দেশে ফিরে গুম ও গ্রেপ্তার আতঙ্কে মিলন আত্মগোপনে আছেন। পুলিশের নানামুখী তৎপরতার কারণে তিনি চাঁদপুরের আদালতে হাজির হতে পারছেন না। তবে স্থানীয় পুলিশ বলেছে, আদালত চত্বরে বাড়তি নিরাপত্তার জন্য ডিবি পুলিশের নজরদারি রয়েছে।
তবে পুলিশ বলছে, মিলনের বিরুদ্ধে করা মামলাগুলো বিচারাধীন থাকায় স্থানীয় আদালতে হাজির না হওয়া পর্যন্ত তার খোজে তল্লাশি চালাবে পুলিশ। কচুয়া থানার ওসি আতাউর রহমান বলেন, আমরা এখনো তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযান চালাইনি।
চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, আদালত চত্বরে বাড়তি নিরাপত্তার জন্য ডিবি পুলিশের প্রতিদিনের নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। অন্য কোনো কারণে নয়।