ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক © সংগৃহীত
এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের সামগ্রিক পারফরম্যান্সে হতাশা প্রকাশ করেছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। প্রত্যাশিত সাফল্য না পাওয়ার কারণ অনুসন্ধান এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নির্ধারণে ইতোমধ্যে একটি বিশেষ মূল্যায়ন কমিটি গঠন করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
জাপানে অনুষ্ঠিত এবারের এশিয়ান গেমসে বিভিন্ন ডিসিপ্লিনে অংশ নেয় বাংলাদেশ। তবে কোনো ইভেন্টেই প্রত্যাশা অনুযায়ী সাফল্য পায়নি লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। বিশেষ করে ক্রিকেট থেকে পদকের প্রত্যাশা থাকলেও এবার সেই আশাও পূরণ হয়নি।
সেমিফাইনালে পাকিস্তানের কাছে হারের পর ব্রোঞ্জ পদকের লড়াইয়ে শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হয় টাইগাররা। কিন্তু সেই ম্যাচেও ব্যর্থ হয় বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কার কাছে ৬৩ রানে হেরে চতুর্থ স্থানেই আসর শেষ করে লিটন দাসের দল।
রবিবার (৪ অক্টোবর) গণমাধ্যমে আমিনুল হক বলেন, শুধু আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়াকে আর সাফল্যের মানদণ্ড হিসেবে দেখতে চায় না সরকার। বরং যেসব খেলায় বাংলাদেশের পদক জয়ের বাস্তব সম্ভাবনা রয়েছে, সেসব ইভেন্ট চিহ্নিত করে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যেতে চান তারা।
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, “এশিয়ান গেমসে এবারের পারফরম্যান্স অত্যন্ত হতাশাজনক ছিল। এই ব্যর্থতার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান ও ভবিষ্যৎ করণীয় নির্ধারণের জন্য ইতিমধ্যে একটি বিশেষ মূল্যায়ন কমিটি গঠন করা হয়েছে। সরকারের বর্তমান লক্ষ্য কেবল কোনো আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করা নয়, বরং সরাসরি পদকের জন্য লড়াই করা। যেসব ইভেন্টে বাংলাদেশের পদক জয়ের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি, সেগুলোকে সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করে যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হবে।”
এশিয়ান গেমসের ক্রিকেটে এর আগে প্রতিবারই পদক জিতেছিল বাংলাদেশ। ২০১০ সালে পুরুষ ক্রিকেটে সোনা জয়ের পর পরবর্তী আসরগুলোতেও পদক পেয়েছিল বাংলাদেশ। তবে এবারই প্রথম ক্রিকেট থেকে কোনো পদক ছাড়াই ফিরতে হয় দলকে।
এদিকে ক্রিকেটের পাশাপাশি অন্যান্য ডিসিপ্লিনেও প্রত্যাশিত সাফল্য আসেনি। এবারের আসরে একমাত্র উশু থেকেই পদক পায় বাংলাদেশ। নারী ৫২ কেজি ওজন শ্রেণিতে ব্রোঞ্জ পদক জেতেন উশু খেলোয়াড় জিন্নাত আক্তার।